রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণে জামায়াত নেতাকর্মীদের উৎসর্গিত হতে হবে: ডাঃ আব্দুল্লাহ মুঃ তাহের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম “মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ০৫ জন গ্রেফতার” নড়াইলে অধ্যক্ষ শা ম আনয়ারুজ্জামানের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাফিনিয়ার চোট নিয়ে যা জানা গেল ইরান যুদ্ধে চীনের কূটনৈতিক জয়? উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূলের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর স্বপ্নযাত্রা- মো: হাছান উদ্দিন মিয়া

কৃষি প্রযুক্তিতে নতুন সংযোজন রাইস ট্রান্সপ্লান্ট মেশিন

নিউজ ডেস্ক :: নরসিংদীর কৃষি প্রযুক্তিতে নতুন করে যুক্ত হলো ৩টি রাইস ট্রান্সপ্লান্ট মেশিন। সেই সাথে এই মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক শুরু হয়েছে বোরো ধানের চাষ। কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এই পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কৃষকরা বলছেন, নতুন এই প্রযুক্তি ও পদ্ধতির সহায়তায় উৎপাদন খরচ কমবে, বাড়বে উৎপাদন।

সারাদেশে ৬১টি জেলার পাশাপাশি রায়পুরা উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো ধানের চাষাবাদ শুরু হয়েছে। উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়নের খাকচক মাঠে আধুনিক যন্ত্র রাইস প্লান্টারের মাধ্যমে ৫০ একর জমিতে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে।

এতে কৃষকের ধান কাটার সময় ও ধান মাড়াই হবে আধুনিক যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে। প্রযুক্তির এমন ব্যবহারে খুশি চাষীরা।

চাষীরা জানান, আগে ধান লাগানো থেকে শুরু করে বাড়ি নেয়া পর্যন্ত আমাদের ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হতো।
এখন মেশিন ব্যবহারের ফলে ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হবে। একবিঘা জমিতে ধান রোপণ করতে ৫ জন লোক লাগতো, এখন মেশিন দিয়ে রোপণের ফলে শ্রমিক কম লাগছে। এই মেশিন দিয়ে ঘণ্টায় ৩০ শতাংশ বেশি জমিতে রোপণ করা যায় এবং এর তেল খরচও কম।

মেশিনে চাষাবাদ হওয়ায় খরচ তুলনামূলক কম। পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহারে হেক্টর প্রতি সাড়ে ১০ টন ফলন পাওয়া যাবে, বলছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শোভন কুমার ধর বলেন, বীজতলা তৈরি এবং একই সময়ে চারা রোপণ, আন্তপরিচর্যাসহ সবকিছু একইসাথে করা সম্ভব হবে। এর ফলে পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করা সম্ভব হবে এবং পরিবেশবান্ধব খাদ্য উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাবো।

কৃষকের কাছে মেশিনগুলো সহজলভ্য করতে ও কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, বিঘা প্রতি খরচও কম পড়বে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে যদি সময় কম লাগে, ফলন বেশি হয় আর বিঘা প্রতি যদি খরচ কম পরে সেক্ষেত্রে মান উন্নয়ন অনিবার্য।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। সেখান থেকে কৃষকদের ৫০ ভাগ ভর্তুকি মূল্যে বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি দেয়া হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: