রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণে জামায়াত নেতাকর্মীদের উৎসর্গিত হতে হবে: ডাঃ আব্দুল্লাহ মুঃ তাহের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম “মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ০৫ জন গ্রেফতার” নড়াইলে অধ্যক্ষ শা ম আনয়ারুজ্জামানের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাফিনিয়ার চোট নিয়ে যা জানা গেল ইরান যুদ্ধে চীনের কূটনৈতিক জয়? উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূলের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর স্বপ্নযাত্রা- মো: হাছান উদ্দিন মিয়া

সিন্ডিকেট ভাঙতে কৃষিবাজার তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কৃষকের পণ্য সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে অন্তর্বর্তী সরকার কৃষিবাজার তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ঢাকা শহরের ৫০টি স্থানে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে ভর্তুকি মূল্যে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বন্যাসহ আরও কিছু কারণে দেশের বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চলছে। সিন্ডিকেট কিংবা ফরিয়াদের মজুতসহ কারসাজির কারণে বাজারে দ্রব্যমূল্য ও জনদুর্ভোগ বাড়ে। এর বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে। কৃষক থেকে গ্রাহক পর্যায়ে পণ্য পৌঁছানোর কাজ চলছে। যারা এটি করবে তাদেরকে সহায়তা করবে সরকার। বিকল্প কৃষিবাজার চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে। যাতে কৃষক সরাসরি পণ্য বেচতে পারে।

তিনি বলেন, টাস্কফোর্স সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য ইতোমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কাজ শুরু করা হয়েছে। বেসরকারিভাবে কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেয়ার যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে তা আরও ছড়িয়ে দিতে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। এতে সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে। সিন্ডিকেট ভাঙতে সহায়তা করবে কৃষিবাজার। দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করবে সরকার।

উল্লেখ্য, কার্ডধারীদের পাশাপাশি কার্ড ছাড়াও এখন থেকে টিসিবির নির্ধারিত পয়েন্টে ট্রাকের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পণ্য কিনতে পারবেন ভোক্তারা। ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০টি ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির তেল, ডাল ও খাদ্য অধিদফতরের সরবরাহ করা চাল বিক্রির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এই কার্যক্রম ২৪ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে না এলে পরবর্তীতে কার্যক্রম বাড়ানো হতে পারে। এ কার্যক্রমের আওতায় সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি মসুর ডাল ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন উপকারভোগীরা। প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম পড়বে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডাল ৬০ টাকা ও চাল ৩০ টাকা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: