রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণে জামায়াত নেতাকর্মীদের উৎসর্গিত হতে হবে: ডাঃ আব্দুল্লাহ মুঃ তাহের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম “মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ০৫ জন গ্রেফতার” নড়াইলে অধ্যক্ষ শা ম আনয়ারুজ্জামানের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাফিনিয়ার চোট নিয়ে যা জানা গেল ইরান যুদ্ধে চীনের কূটনৈতিক জয়? উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূলের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর স্বপ্নযাত্রা- মো: হাছান উদ্দিন মিয়া

কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলার ববি সাহার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া টিএসপি ও ডিএফপি সার কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।কৃষকদের দাবি, অতি দ্রুত এই ডিলারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ লাইসেন্স বাতিল করা হোক।

জানা গেছে,পলাশবাড়ী উপজেলর মহদীপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স রাম চন্দ্র সাহা প্রোপ্রাইটার স্বগীয় চন্দন সাহা। চন্দন সাহার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ববি সাহার নামে ২০২২ সালে লাইসেন্স স্থানান্তর করা হয়। তার প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা মূলত ঠুঠিয়াপাকুর বাজারে হওয়ার কথা থাকলেও পলাশবাড়ী কালীবাড়ি বাজারে রয়েছে তার অপর একটি গুদাম। মূলত নির্ধারিত

মহদীপুর ইউনিয়নের জন্য তার ডিলার নিবন্ধন। তিনি সেই ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠান না রেখে ঠুঠিয়া পাকুর বাজারের সাব সেন্টার কালীবাড়ি বাজার থেকে সার বিক্রি করে থাকেন।আবার মহদীপুর ইউনিয়নের সাব সেন্টারটি অনিয়মিতভাবে পরিচালনা করেন মেসার্স রাম চন্দ্র সাহা ম্যানেজার আসাদুজ্জামান টুটুল। মূলত তিনিই কালোবাজারে এসব সার বিক্রি করে থাকেন।

কথা হয় বিষ্নুপুর গ্রামের চাষি বাবু মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, ‘আমি ১০ বিঘা জমিতে চাষ করি। কিন্তু আমি সার নিয়ে বড় ভোগান্তিতে আছি। ডিলারের ঘরে গেলে চাহিদা মতো সার দিতে পারে না, সময়মতো দোকান খোলা পাওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে অধিক দামে বাইরে থেকে সার নিতে হয়। একই ধরনের অভিযোগ করেন ওই গ্রামের কাশেম আলীসহ বেশ কয়েকজন

কৃষক। মহদীপুর ইউনিয়নের চাষি শামীম অভিযোগ করেন, ‘আমাদের জমি অনুযায়ী সার ডিলারের কাছে তেমন সহযোগিতা পাই না। তিনি সরকারি রেটের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অফার করেন। তখন বাধ্য হয়ে হয়ে বেশি দামে তার থেকে অথবা নিকটস্থ সারের দোকান থেকে সার কিনতে হয়।’

এ ব্যাপারে ববি সাহা বলেন, আমি সারের ডিলার কিনা জানি না, বরাদ্দ ও মজুদ কত এগুলো আমি কিছুই জানি না। তবে আমাদের ডিলারশিপ নির্মল দেখাশুনা করে। কে সার পেলো, আর কে পেলো না আমি জানি না। আমি অসুস্থ মানুষ, শুধু স্বাক্ষর করি।এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবু তালেব সরকার বলেন, সার সংকট ও অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি বন্ধে সম্প্রতি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা হয়েছে। প্রত্যেকটি পয়েন্ট একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিযোগ দেওয়া হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: