রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
৬ কর্মসূচিতে জাকসুর এক বছরের দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এলজিইডির কর্মকর্তাদের জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের আহ্বান মঈন খানের বাকৃবিতে ১৭৯ শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপ শুরু, বিদেশে যাচ্ছেন ৩৫ জন ‘শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আ. লীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে সন্তানদের নিরাপত্তা চাই: ডা. শ‌ফিকুর ‎উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে প্রিপেইড মিটার ‘বাজে স্বভাব’ নামেই আসছে রেহানের প্রথম একক গানের আসর মক্কা-মদিনার ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

শারদ সরোদে মিশ্র রাগ, কবি পায় তার কিছু ভাগ

বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতিতে শরৎকাল এক অনন্য সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে হাজির হয়, যা দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের সৃজনশীল লেখকদের ভাবনায় গভীর প্রভাব ফেলে আসছে। প্রকৃতির এই ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই কবিদের মনও এক সুরের মূর্ছনায় মেতে ওঠে, যা তাদের রচনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। আবহমান বাংলার রূপ ও বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তুলতে তারা প্রকৃতির এই অপরূপ উপাদানগুলোকে নিজেদের কবিতার পঙক্তিতে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলেন।

এ দেশের কবিদের শরৎকেন্দ্রিক সৃষ্টিশীলতায় ঘুরেফিরে কিছু নির্দিষ্ট ও পরিচিত রূপ অনুষঙ্গ অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে আসে। এর মধ্যে শুভ্র কাশবন, স্নিগ্ধ সুবাস ছড়ানো শিউলি ফুল এবং বিলের জলে ফোটা শাপলার রাজত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব উপাদান কেবল প্রকৃতির বাহ্যিক সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং তা সাহিত্যিকদের মনে এক গভীর নস্টালজিয়া ও নান্দনিক অনুভূতির জন্ম দেয়, যা তাদের কাব্যচর্চায় বারবার প্রতিফলিত হয়।

প্রকৃতির এই রূপের পাশাপাশি শরতের আকাশ ও আলোর খেলাও কবিদের মন জয় করে নেয় সহজেই। নির্মল ও স্বচ্ছ আকাশে সাদা মেঘের ভেলা বয়ে বেড়ানোর দৃশ্য এবং রাতের বেলা মায়াবী শারদ জোছনার প্লাবন কবিতার লাইনগুলোকে আরও বেশি প্রাণবন্ত করে তোলে। ঋতুভিত্তিক এই রূপবৈচিত্র্যকে কেন্দ্র করে রচিত পঙক্তিমালা পাঠকমহলেও ব্যাপক সমাদর লাভ করে এবং শরৎকাল এ দেশের সাহিত্য অঙ্গনে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: