বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
স্বৈরাচারের ভূত এখনও রয়ে গেছে: তারেক রহমান মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান বরিশালে ঐক্যের বন্ধনে ব্যতিক্রমী আয়োজনে গুঠিয়ায় ভেদাভেদহীন বর্ষবরণ উৎসব গোপালগঞ্জে বর্ণিল উৎসবে ১৪৩৩-কে বরণ: বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সুরের মূর্ছনায় মাতোয়ারা জেলাবাসী নড়াইলে বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে জমজমাট লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শিবালয়ে সামাজিক অবক্ষয় রোধে ৪৯টি মসজিদের ইমাম এবং কমিটির আলোচনা সৎসঙ্গ শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যেগে আলোচনা সভা কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ডোমারে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: পরকীয়া নিয়ে স্বামী–পরিবারের অভিযোগ নড়াইলের লোহাগড়ায় বিনামুল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ

কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১, গুলিবিদ্ধ ১৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি :: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আ.লীগের বিবদমান দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ফের গুলিবিদ্ধ হয়ে এক জনের  মৃত্যু হয়েছে। নিহত মো.আলাউদ্দিন (৩২) উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মমিনুল হকের ছেলে।সেই সিএনজি চালক।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বসুরহাট বাজারের পৌরসভা প্রাঙ্গণ এলাকার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে দফায় দফায় কাদের মির্জা ও বাদল গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’গ্রুপের অন্তত ১৩জন গুলিবিদ্ধ ও ৩০জন আহত হয়েছে।

নোয়াখালী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, গুলিবিদ্ধ একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও আরো ১১জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নোয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বসুরহাট বাজারের রুপালী চত্তরে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে উপজেলা আ’লীগ। পরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভায় আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা সভার একেবারে শেষ মুহূর্তে ককটেল ও গুলি ছোঁড়ে এবং সভার প¦ার্শবর্তী এলাকায় ব্যাপক ককটেল বিষ্ফোরণ করে একটি নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এ সময় সভাস্থল থেকে উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ এক সাথ হয়ে মির্জা কাদেরের অনুসারীদের প্রতিরোধ করতে গেলে মাকসুদাহ গার্লস স্কুল রোড এলাকায় দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা, ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় পুরো বসুরহাট বাজার জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ছাড়াও থেমে থেমে ক্ষমতাসীন দলের দু’গ্রুপের অনুসারীরা বসুরহাট বাজারের বিভিন্নস্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, গোলাগুলি ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আহত হন ওসি মীর জাহিদুল হক রনিসহ চার পুলিশ। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো.আলাউদ্দিন নামে একজন মারা যান।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল জানান, নিহত আলাউদ্দিন তার যুবলীগ কর্মি। সে তার পাশের বাড়ির ছেলে। তিনি এ হত্যার জন্য কাদের মির্জাকে দায়ী করেন ।

এ বিষয়ে জানতে কাদের মির্জার মোবাইলে কল করা হলেও তিনি কল ধরেননি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি জানান, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ছাড়াও পুলিশ যে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কিছু দিন থেকে কাদের মিজার সঙ্গে স্থানীয় আ.লীগ নেতাদের দ্বন্ধ চলছিল। কয়েক দিন আগে উপজেলার চাপরাশির হাট বাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির মারা যায়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: