শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
নাজিমগঞ্জ বাজারের প্রবীণ মাংস ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ আর নেই পুরনো আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, কার্যকর আইন আনছে সরকার: আবুল খায়ের ভূঁইয়া ফুলবাড়ীতে আমন চাষে তোড়জোড়, জলাবদ্ধতা থেকে চারা গাছ রক্ষায় দোগাছি তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক গোপালগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার উজিরপুরের মোঃ শহিদুল ইসলাম লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ ও ফলজ বাগান উদ্ধোধন কুমিল্লার সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার সঙ্গে কামরুল হুদার সাক্ষাৎকার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিন গোলামালির রস-কিচ্ছা- আশরাফ উদ্দীন আহমদ বিশ্বনেতাদের তাজা গুলিসহ রিভলভার উপহার দিলেন এরদোয়ান

হাসিমুখে কথা বলা সওয়াবের কাজ

সুন্দর আচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ইসলামের শিক্ষা। কথা বলার সময় ভদ্রতা বজায় রাখা জরুরি। ভ্রু কুঁচকে কথা বলা, বিরক্তিভাব দেখানো এবং ক্ষোভ প্রকাশ কাম্য নয়। বরং হাসিমুখে কথা বলা-ই ইসলামের নির্দেশনা।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘প্রতিটি ভালো কাজ সদকা। আর গুরুত্বপূর্ণ একটি ভালো কাজ হলো অন্য ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৭০)

অন্য হাদিসে প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘তোমার ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মুখে মুচকি হাসি নিয়ে আসাও একটি সদকা।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৫৬)

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের কোনো মুসলিম ভাইকে খুশি করার জন্য এমনভাবে সাক্ষাৎ করে, যেমনটি সে নিজের জন্য পছন্দ করে। কেয়ামতের দিন (বিনিময়ে) আল্লাহ তাআলা তাকে খুশি করবেন।’ (তাবারানি, হাদিস : ১১৭৮)

তাই মানুষের সাথে আমাদের তেমনভাবে কথা বলা উচিত, যেমনভাবে আমরা প্রত্যাশা করি। এমন কোনো আচরণ কাম্য নয়, যা আমরাও অন্যদের থেকে আশা করি না। সাক্ষাৎ ও কথাবার্তায় মার্জিত হলে আল্লাহ পুরস্কৃত করবেন। মানুষের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বাড়বে। সমাজে অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: