মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জাতীয়করণ হওয়া কলেজের ৬৯০ শিক্ষককে সপ্তম গ্রেড দেওয়ার নির্দেশ নৌযান শুমারি ২০২৬ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে নৌযান সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবহিতকরণ সভা ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলায় প্রথম কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বন্দে আলী স: প্রা: বিদ্যালয়ে তিন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা রায়পুরে ২০৪ পিস ই’য়াবাসহ নারী আটক চাকরি দেবে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ এইচপি অসুস্থ ইলিয়াস কাঞ্চনকে দেখতে গুলশানের বাসায় সুচন্দা-চম্পা বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি আদিবাসীদের

করোনায় দরিদ্র হচ্ছে আরও ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ: বিআইডিএস

নিউজ ডেস্ক : করেনার কারণে বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে দেশে ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কাতারে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করেছে বিআইডিএস।

বুধবার বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা সংস্থার (বিআইডিএস) এক ওয়েবিনারে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

‘ইন দ্য শ্যাডো অব কোভিড কোপিং, অ্যাডজাস্টমেন্ট, রেসপনসেস’ শীর্ষক বিআইডিএসের এই ক্রিটিক্যাল কনভারসেশন্স ওয়েবিনারে এ ধারণা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, বড় সংখ্যক নতুন এই দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণে সরকার দারিদ্র্য হ্রাসের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, তা অর্জন করা সম্ভব হবে না। একই সাথে করোনার কারণে শহরের শ্রমিকের আয় কমেছে ৮০ শতাংশ এবং গ্রামীণ শ্রমিকের আয় কমেছে ১০ শতাংশ।

ওয়েবিনারে বিআইডিএসের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো বিনায়ক সেন জানান, কোভিড-১৯-এর প্রভাব কাটাতে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ লকডাউন অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নয়। এতে যেমন দারিদ্র্যের হার বেড়েছে, অন্যদিকে কোভিডের আগেই যাঁরা দরিদ্র ছিলেন, তাঁদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে এই ক্ষতি পূরণ করা যাবে না। বরাদ্দ বাড়িয়েও লাভ হবে না, কারণ এই ভাতা ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভুল মানুষ বাছাই করার প্রবণতা আছে দেশে। ফলে যাঁদের দরকার, তাঁদের অনেকেই তালিকায় ঢুকতেই পারেন না।

বিনায়ক সেন বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন ভাতা বিতরণে অদরিদ্র ও সচ্ছল মানুষের সংখ্যা ৩০ শতাংশ, খাদ্যসহায়তার ক্ষেত্রে সেটা ৩২ শতাংশ, মাতৃত্বকালীন ভাতার ক্ষেত্রে ৪৪ শতাংশ, বৃত্তির ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ।

কোভিডের অভিঘাতে দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের হার কমে যাবে জানিয়ে বিআইডিএসের এই গবেষক বলেন, এতে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, তা অর্জন করা কঠিন হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তির স্বাস্থ্য ব্যয় হ্রাসে এই খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি সরকারকে আরও সমতাভিত্তিক মডেল অনুসরণ করতে হবে।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এ এস মুর্শিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান প্রমুখ।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: