বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সুবর্ণচরে ঘূর্ণিঝড় রিমেলের রাতে অসহায় ব্যবসায়ীর দোকান লুট ও উচ্ছেদের অভিযোগ রাজশাহী নগরীতে ৬৬ হাজার ৫১৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে নগরীতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তার ময়নার শেষ কথা” চলচ্চিত্র নিয়ে আসছে ইরা শিকদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষ্যে আ’লীগের নেতা কর্মিদের মত বিনিময় সভা সুবর্ণচরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সাবেক ইউপি সদস্য মাহে আলমের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানা অফিসার ইনচার্জ রউফ সরকার শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন বাবুর শপথ – মোবারক হোসেন দেলোয়ার চৌদ্দগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-৫, আহত-১৫

জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার-ধর্মমন্ত্রী

বা. জাগরণ ডেস্ক : ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, পৃথিবীতে জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার।

২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার  বিকেলে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিবনগর সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের সফলতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মন্ত্রী একথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিলো মুজিবনগর সরকারের কার্যকাল। এই সরকারের সফল নেতৃত্বে নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সফলতার মানদন্ডে কিংবা বাঙালি জাতির প্রাপ্তি বিবেচনায় মুজিবনগর সরকার জাতিকে দিয়ে গেছে সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ -স্বাধীনতা। একটি জাতির জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! মুজিবনগর সরকারের সফলতাই আমাদেরকে আজকের এই বাস্তবতায় নিয়ে এসেছে।

ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অনন্য দলিল। এই ঘোষণাপত্রে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিতা তুলে ধরা হয়েছে। এই সরকার সম্পূর্ণরূপে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে গঠন করা হয়। এই সরকার ছিলো সুসংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিক। সেসময় এই সরকার গঠিত না হলে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অথবা বিদ্রোহী হয়ে পড়তাম। এমনকি স্বাধীনতাও আমাদের কাছে অধরা থেকে যেতে পারতো।

মোঃ ফরিদুল হক খান বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। তিনি আরো বলেন, আমরা সাবমেরিনের গর্বিত মালিক হয়েছি। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। মুজিবনগর সরকারের সফলতার ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা। অন্যান্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মশিউর মালেক, সহসভাপতি কাজী মফিজুল হক ও বা. আবদুর সালাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: