মঙ্গলবার, ১৬ Jun ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ইরান চুক্তি মার্কিনিদের জন্য লাভজনক: ভ্যান্স লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, আটক ৩ সংস্কৃতি আন্দোলন থেকে টেলিভিশন নাট্য নির্মাণে স্বতন্ত্র পথচলা: নির্মাতা সঞ্জীব দাস সুবর্ণচর রব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ফি আদায়ের অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত যৌতুকের বলি ৩ সন্তানের জননী: স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার পর গোয়ালঘরে লাশ ফেলে পালালো স্বামী নড়াইলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার কালিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযান, কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা নিয়ে অনুসন্ধানে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় কোটালীপাড়ার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি বাণিজ্য

গোপালগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জোসনা খাতুন। ছবি :শেখ ফরিদ আহমেদ

শেখ ফরিদ আহমেদ, গোপালগঞ্জ থেকে : গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্তের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যসহ নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও অভিভাবক মহল মনে করছেন, এ সকল অনিয়মে তার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জোসনা খাতুন।

অভিযোগ রয়েছে, শেখর রঞ্জন ভক্তের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে একজন শিক্ষিকাকে (ইতি হালদার) বিধি বহির্ভূতভাবে ডেপুটেশনে বদলি করা হয়। ১১৯ নং বান্ধাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র ৬ দিন দায়িত্ব পালনের পরই তিনি মৌখিক নির্দেশে সোনাইলবাড়ি আড়পাড়া বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। অথচ শিক্ষা আইনে মৌখিক ডেপুটেশনের কোনো বিধান নেই। সরেজমিন তদন্তে গেলে দ্রুত একটি ভুয়া চিঠি তৈরি করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন অনুমোদন নিয়ে নেন শেখর রঞ্জন ভক্ত।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত ।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত । ছবি :শেখ ফরিদ আহমেদ

 

এছাড়া তার যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই ৮৭ নং বাহির শিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিলা রানী সাহাকে টুঙ্গিপাড়ায় বদলি দেখানো হয়। কিন্তু ওই বিদ্যালয়ে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে কোনো শিক্ষক যোগদান করেননি। পরে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জেরার মুখে তিনি নিজেই স্বীকার করেন, আসলে প্রতিস্থাপন হয়নি।

একাধিক প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ (স্লিপের টাকা) থেকে নিয়মিতভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে টাকা দিতে হয়। এমনকি কোনো কোনো সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) সরাসরি প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেরাই কেনাকাটা করেন।

এই সব অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জোসনা খাতুন জানান, তার করার কিছু নেই। তিনি এটিকে অপরাধ বলেও মনে করেন না। এ অবস্থায় সচেতন মহল মনে করছে, কোটালীপাড়ার শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতির নেপথ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ রয়েছে।

অভিভাবকসহ সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: