বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীতে ট্রেন আটকে অবরোধ, ৪ ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক সাবেকি ধাঁচে শাড়ি পরে উৎসবের দিনগুলোয় যেভাবে সেজেছিলেন স্বস্তিকা মুখার্জি সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সৌদি সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশির বিপদে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত? চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক, অভিযোগ দুই এমপির রংপুরের এক কারখানা এবার বিশ্বের সেরা নতুন ভবন ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত থাকলেও যেন ছাড় না দেয় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার, আলোচনায় যে কারণ ‘ভারতবিরোধী রাবণে’র পোস্টারে ড. ইউনূসের ছবি, রাহুল–মাস্কসহ আছেন আরও যারা

ইফতারে ডাবের পানি পান উপকার নাকি ক্ষতিকর? যা জানালেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

এখন রমজান মাস। এ মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রোজা পালন করেন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ইবাদতে মশগুল থাকেন। এ সময় রোজা পালন করতে গিয়ে সাহরি ও ইফতারে খাবারে যেমন স্বাস্থ্যের বিষয় অনিচ্ছাকৃতভাবেই উপেক্ষা হয়; একইভাবে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

দিনভর পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে পানিশূন্য বা ডিহাইড্রেটেড শরীর চায় ইফতারে দ্রুত পানিশূন্যতা কাটাতে। এ কারণে ইফতারে অনেকেই ডাবের পানি পান করতে পছন্দ করেন। ডাবের পানি একটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক। যা শরীর দ্রুত চাঙা করতে সাহায্য করে। এতে যথেষ্ট পরিমাণ পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং সোডিয়ামের মতো ইলেকট্রোলাইটস রয়েছে।

ডাবের পানি পান করা উপকারী হলেও ইফতারে এটি প্রতিদিন গ্রহণের আগে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে রাজধানীর পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান ও প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি বলেন। তাহলে এই পুষ্টিবিদের পরামর্শ জেনে নেয়া যাক-

দ্রুত হাইড্রেটেড করে:
ডাবের পানিতে পটাশিয়াম, সোডিয়ামসহ প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটস থাকায় সারাদিনের পানিশূন্যতা কাটাতে দ্রুত সাহায্য করে।

পেটের জন্য স্বস্তিদায়ক:
ইফতারে ভারী বা ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া হলে যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হয়, তাদের জন্য ডাবের পানি পেটকে শান্ত রাখতে সহায়ক।

হালকা ও সহজপাচ্য:
অনেক সময় অতিরিক্ত পাল্প বা ফাইবার থাকার কারণে ফলের জুস বা শরবত হঠাৎ ইফতারের শুরুতে গ্রহণ করলে অনেকেরই ডিসকমফোর্ট হতে পারে। সেক্ষেত্রে ডাবের পানি একটি কোমল অপশন।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক:
রোজা রাখার পর যাদের সাধারণ খাবার পানি বারবার তেমন একটা গ্রহণ করা হয় না, সেক্ষেত্রে পানির পাশাপাশি স্যুপ, জুস আর এক গ্লাস ডাবের পানি রাখতে পারেন। পর্যাপ্ত পানি ও মিনারেল থাকায় অনেকের ক্ষেত্রে বাওয়েল মুভমেন্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে ডাবের পানি।

তবে যাদের নানাবিধ শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা রয়েছে, তাদের প্রতিদিন না গ্রহণ করে সীমিত রাখা উচিত এ প্রাকৃতিক পানীয়টি। যেমন―

ডায়াবেটিস রোগী:
ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই তাদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। সেক্ষেত্রে যদি পান করতেই চান, তাহলে ১ কাপই যথেষ্ট।

কিডনি রোগী:
যেসব কিডনি রোগীরা রোজা রাখেন, তাদের অনেকেই মনে করেন- যেহেতু সারাদিন রোজা ছিলেন তাই সবকিছুই খাওয়া যাবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ডাবের পানিতে পটাশিয়াম বেশি। এছাড়া ফ্লুইডেরও নিষেধাজ্ঞ বা রেস্ট্রিকশন থাকে কিডনি রোগীদের; তাই কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ ছাড়া এটি গ্রহণ না করাই ভালো।

পেট ফাপার সমস্যা:
কিছু মানুষের সব সময়ই পেট ফাঁপার সমস্যা হতে দেখা যায়। সারাদিন রোজা রাখার পর হঠাৎ ডাবের পানি পানে এই সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

ইফতারে পরিমিত ডাবের পানি অধিকাংশ মানুষের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা বিশেষ ডায়েটে থাকলে পরিমাণ বুঝে খাওয়া উচিত।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: