বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
গরু চুরি করে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে রেখে গেল চোর! অবসর ঘোষণার পর বিদায়ী ম্যাচে ডাক পেলেন মেসি, কবে কার বিপক্ষে খেলবেন? যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ, পেনসিলভেনিয়ায় চতুর্থ মৃত্যুর খবর জানালো কর্তৃপক্ষ মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি টুকরো মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর পত্রিকা: ‘সর্বজনীন পেনশনে পরিবর্তন আসছে, আজীবন সুবিধা পাবেন স্বামী-স্ত্রী’ ১৬ বছরের ওয়ান্ডারকিডের ঝড়! প্রতিপক্ষের জালে আর্সেনালের ৪ গোল ৫ গোলের থ্রিলারে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের নাটকীয় জয় নিখোঁজের ১৫ বছর পর ভারত থেকে আজ দেশে ফিরছেন আনজু

নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি টুকরো মরদেহ উদ্ধার

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নে নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর কামরুন্নাহার কলি নামের এক শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে কুলোনিয়া গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ১০ বছর বয়সী ওই শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কলি স্থানীয় কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে ছিল এবং তার আকস্মিক ও নির্মম মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিজ বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে গিয়েছিল শিশু কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে সে বাজার সদাই মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির বাইরে যায় এবং এরপর থেকেই সে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে পড়ে। অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় দুইশ গজ দূরে শিশুটির ব্যবহৃত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তার খোঁজ চেয়ে আকুতি জানান।

প্রিয় সন্তানকে ফিরে পেতে ও নিখোঁজের ঘটনার সুরাহা করতে পরিবার এবং স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হয়েছিল। ঘটনার পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর পাবনা শহরে শিশুটির সন্ধান ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তার স্বজন ও সহপাঠীরা। এর মাত্র একদিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির টুকরো মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বস্তা খুলে মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক জানান যে, সেদিন সন্ধ্যায় মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তারা সম্ভাব্য সব স্থানে পাগলের মতো খুঁজেছেন কিন্তু পাননি। তিনি তার অবুঝ সন্তানকে যারা এমন নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুলিশ বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন করতে জোরেশোরে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: