রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
‘শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আ. লীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে সন্তানদের নিরাপত্তা চাই: ডা. শ‌ফিকুর ‎উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে প্রিপেইড মিটার ‘বাজে স্বভাব’ নামেই আসছে রেহানের প্রথম একক গানের আসর মক্কা-মদিনার ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ বান্দরবানে ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য নিয়ে প্রদর্শনী বিধবা নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অনেকে দিনাজপুর মেডিকেলের নাম বদল করে রাজনীতি করেছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মমতার দলের নতুন নাম কী হবে জানা যাবে আজ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দলের ভেতরে তৈরি হওয়া বিবাদমান দুটি পক্ষ নিজেদের পছন্দমতো আলাদা নাম এবং প্রতীক বরাদ্দ চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে তালিকা জমা দিয়েছে। এই দলীয় বিভাজনের ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনা চলছে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের ভেতর বিরোধ দেখা দিলে এবং তারা আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইলে নাম ও প্রতীকের বিষয়টি কমিশনকেই মীমাংসা করতে হয়। তৃণমূলের বিবদমান পক্ষগুলো তাদের নিজ নিজ পছন্দের তালিকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। এখন সবার নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে, যা থেকে পরিষ্কার হবে কোন পক্ষ কোন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নামছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং আলাদা প্রতীক নিয়ে মাঠে নামার প্রচেষ্টা বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে ঐক্যবদ্ধ থাকা একটি রাজনৈতিক দলের ভেতরে এমন বিভাজন ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এই নতুন দলীয় বিন্যাস নিয়ে কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দুটোই কাজ করছে।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, এই রাজনৈতিক দলগুলোর নতুন নামকরণ এবং প্রতীক সংক্রান্ত চূড়ান্ত ঘোষণা খুব দ্রুতই আসতে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যেকোনো মুহূর্তে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। এর ফলে রাজ্যের আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্রটি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: