রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নদীগর্ভে স্কুল বিলীন, বাড়ি বাড়ি পাঠদান উৎপাদন বৃদ্ধিসহ দেশি প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখাই সরকারের লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পে স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়ি ভাড়া ৬ কর্মসূচিতে জাকসুর এক বছরের দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এলজিইডির কর্মকর্তাদের জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের আহ্বান মঈন খানের বাকৃবিতে ১৭৯ শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপ শুরু, বিদেশে যাচ্ছেন ৩৫ জন ‘শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আ. লীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে সন্তানদের নিরাপত্তা চাই: ডা. শ‌ফিকুর

জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প বন্ধে মোংলায় মানববন্ধন

পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে কোনো ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্পে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন সম্পূর্ণ বন্ধের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়। সচেতন নাগরিক সমাজ ও পরিবেশকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, অথচ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। কয়লা, তেল কিংবা গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিমাত্রার নির্ভরশীলতা আমাদের প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে এ ধরনের ক্ষতিকর প্রকল্পে নতুন করে বিনিয়োগ না করে বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিস্তার ঘটানোর ওপর জোর দেওয়া উচিত।

এ সময় বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা উল্লেখ করেন যে, মোংলার মতো সংবেদনশীল এলাকায় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক কার্যক্রম আরও বাড়লে এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হবে। তাই সরকারি ও বেসরকারি সব স্তরের নীতিমালায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে এনে টেকসই ও সবুজ জ্বালানি ব্যবহারের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা সময়ের দাবি।

স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশ সংগঠনের প্রতিনিধিরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান যে, তাদের এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আগামীতেও বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। মানববন্ধন শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেشی বক্তব্য পর্বের মধ্য দিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়, যেখানে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সচেতন মহলকে পরিবেশ রক্ষায় আরও বেশি সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: