শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা ম্যাক্রোঁর জাপানে আশ্রয় চাইলেন উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের দুই সদস্য বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বেরিয়ে গেলেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে নিশ্চিহ্ন করতে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ চলছে: জর্ডান এশিয়ান গেমসের জন্য দেশ ছাড়লেন লিটনরা নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে ফিরলেন এমএস নাও, সিএনএন ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা ৩৪ বছর পর এই প্রথম কোনো শিশু জন্মাল প্রত্যন্ত এক স্কটিশ দ্বীপে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমান নাৎসি বন্দিশিবিরে অপরাধের অভিযোগে তদন্তের মুখে ১০৫ বছর বয়সী ব্যক্তি

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বেরিয়ে গেলেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি ডায়াসে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধিদল প্রতিবাদস্বরূপ কক্ষ ছেড়ে ওয়াকআউট করেন। এ সময় উপস্থিত অনেক প্রতিনিধি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং তাকে উদ্দেশ্য করে দুয়োধ্বনি দিতে থাকেন। অন্যদিকে, এই হট্টগোলের মাঝেও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব দলের অনুসারী ও সদস্যরা দাঁড়িয়ে তাকে করতালি দিয়ে সমর্থন জানান। অধিবেশন কক্ষের এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সভার সভাপতি বারবার সবাইকে শান্ত হওয়ার এবং সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী প্রতিবাদকারীদের আক্রমণ করে বলেন, যেসব নৈতিক কাপুরুষ এখনো এই কক্ষের ভেতরে অবস্থান করছেন, তারা চাইলে এখনই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করতে পারেন। নিজের দীর্ঘ ভাষণে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিত্র ও সমালোচকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতি নির্মাণের বিরোধিতাকারী ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। দুই দেশের অতীত ঔপনিবেশিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে নেতানিয়াহু দাবি করেন, যারা আজ ইসরাইলকে ঔপনিবেশিকতার অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন, তাদের নিজেদের অতীতই মূলত সাম্রাজ্যবাদী ও ঔপনিবেশিক ইতিহাসে ভরপুর।

বক্তব্যের একটি পর্যায়ে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি উগ্র তরুণদের হামলা ও সহিংসতার বিষয়টিও উঠে আসে। গণমাধ্যমে এই বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, হাতে গোনা মাত্র দেড়শ তরুণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় পুরো জাতির ওপর চাপানো যায় না। ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ কিংবা জলপাই বাগান ধ্বংস করার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড তিনি কখনো সমর্থন করেন না এবং কঠোর হস্তে দমন করবেন বলে দাবি করেন। তাছাড়া, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, মামদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওই শহরে বসবাসকারী ইহুদিরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একই সঙ্গে মেয়র মামদানি ইসরাইলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বারবার মিথ্যা গণহত্যার অভিযোগ তুলছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: