শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মদিনার প্রান্তরে ঐতিহাসিক পাঁচ মসজিদ খাওয়ার পর চা: এই অভ্যাস কতটা স্বাস্থ্যসম্মত ফেলিক্সের গোলে পর্তুগালের জয়, নরওয়ের জয়ে হলান্ডের জোড়া গোল ভারতে মুসলিম কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়ার খবর প্রকাশ, সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ ইসরাইলকে আরো একঘরে করেছে: বিশ্লেষক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘে থ্রি-আর কৌশল তুলে ধরলেন তারেক রহমান ক্লপের জার্মানির সঙ্গে ড্র জাভির নেদারল্যান্ডসের

তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এক কূটনৈতিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের নির্ধারিত কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বমঞ্চের এই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের সরকারপ্রধানের এই সাক্ষাৎকে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠকের শুরুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচনাকালে দুই প্রধানমন্ত্রীই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গভীর সমঝোতা এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন। যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সে বিষয়েও তারা নিজেদের মতামত বিনিময় করেন। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো পাশ কাটিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ অনুভব করেন তারা।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দুই নেতা মনে করেন, নিয়মিত আলোচনা চলমান থাকলে দুই দেশের মধ্যকার বোঝাপড়া আরও গভীর হবে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: