শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব সংস্থার সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। এই উচ্চপর্যায়ের সভায় যোগ দিতে ইতিমধ্যে সাধারণ পরিষদ হলে প্রবেশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বনেতাদের এই মর্যাদাপূর্ণ সমাবেশে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশ্বিক মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
কিছু সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে তাঁর নির্ধারিত ভাষণ শুরু করবেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে এটি তাঁর অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অভিষেক এবং এই ভাষণের মাধ্যমে দেশের নীতি ও আদর্শ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে। পুরো জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে তাঁর এই ঐতিহাসিক বক্তব্যের জন্য, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।
সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে প্রদত্ত এই ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের জাতীয় স্বার্থ ও সামগ্রিক অগ্রগতির বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন। এ ছাড়া বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও সাফল্য তুলে ধরবেন তিনি। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এসব ইস্যু অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
ভাষণে বিশেষ গুরুত্ব পাবে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়টিও, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাবেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবদানের কথাও তুলে ধরা হবে।