মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জাতীয় বন্দর কৌশল: ঋণের কিস্তি পরিশোধেই যাবে আয়ের পাঁচ গুণ কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনা, ‘আশা করছি মঙ্গলবার মার্কিন জবাব পাব’: আরাগচি সংবিধান সংশোধন: ফের গণভোটের উদ্যোগে প্রশ্ন নভেম্বরেও এলএনজি দেবে না কাতার তৃণমূলের নাম-প্রতীক বিরোধ চার মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ইসরাইলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ, রাষ্ট্রদূতকে তলব নেদারল্যান্ডসের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ইরানের অবস্থানকে দুর্বল করবে: ইরানি আইনপ্রণেতা ‘আবুল মনসুর আহমদের পূর্ব বাংলা’ চিন্তার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে ১০ লিটার জ্বালানিতে ৫৩০ মিলিলিটার কম, যাত্রাবাড়ীতে ফিলিং স্টেশন বন্ধ করল বিএসটিআই একনেকে উঠছে ১৮ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প

নভেম্বরেও এলএনজি দেবে না কাতার

মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ কাতার বাংলাদেশের মতো কয়েকটি এশীয় ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরুর পটভূমিতে সৃষ্ট অনিবার্য পরিস্থিতি বা ‘ফোর্স মেজর’ অবস্থার কারণে গত মার্চ মাস থেকেই এই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জ্বালানি খাতের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে।

গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় কাতার এনার্জি এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি সম্প্রতি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্রেতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে তাদের এলএনজি চালান বাতিলের সিদ্ধান্ত আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর আগে ইতালির জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এডিসন এসপিএ জানিয়েছিল যে তাদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সরবরাহ স্থগিতাদেশ ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১১৫ কার্গো এলএনজির চাহিদা রয়েছে, যার একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি হয়ে কাতার থেকেই সরবরাহ করা হয়ে থাকে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আগামী নভেম্বর মাসের জন্য বাংলাদেশের প্রায় ১০ কার্গো এলএনজি প্রয়োজন, যার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে চার কার্গো আসার কথা ছিল। কিন্তু কাতারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সৃষ্ট ঘাটতি মোকাবিলায় এখন আন্তর্জাতিক খোলা বাজার বা বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত মার্চে সংঘাত শুরুর পর থেকেই কাতার তাদের দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তি স্থগিত করে, যার ফলে বাংলাদেশকে চড়া দামে খোলা বাজার থেকে জ্বালানি কিনতে হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের অভ্যন্তরে গ্যাস সংকট দেখা দিলেও সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে কাতারের রাস লাফান রপ্তানি স্থাপনার সক্ষমতা এখনো সীমিত থাকায় এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি পুরোপুরি অনুকূলে না আসায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা কাটেনি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: