মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
‘মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হয়ে থাকতে চাই’: কীভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ১৯ বার শিরোপা জেতা ৯০ বছরের বডিবিল্ডার জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শেষ ৬ জুনের মধ্যে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব দেশের নাগরিক হিসেবে আমি ন্যায়বিচার চাই: তানজিন তিশা বাড়িতে মেয়ের বিয়ের ডামাডোল, সড়কে প্রাণ গেল বাবার ২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি নিজের মৃত্যুর ভুয়া খবর নিয়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারের মজা দুই বড় জাহাজের সংঘর্ষে মাঝখানে পড়ে যায় লাইটার, শ্রমিকের চিৎকার—‘আল্লাহরে, ইন্না লিল্লাহ’

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আলোচিত এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দেশের ৪১টি তফসিলভুক্ত ব্যাংকের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই দুর্নীতি মামলার মূল অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে চলে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা। এছাড়া বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে আছেন। ট্রাস্টের আড়ালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

দুদকের মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা এই মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা নিজেদের পদমর্যাদা ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে সিএসআর তহবিলের বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে এই বিশাল অংকের অর্থ ট্রাস্টের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত ও অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের আর্থিক লেনদেনের রেকর্ডপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। সংগৃহীত তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং অর্থের প্রকৃত উৎস ও গন্তব্য নিশ্চিত করতে এখন ৪১টি ব্যাংক থেকে আরও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোর পাঠানো রেকর্ডপত্রগুলো বিশ্লেষণ করে আইনি প্রক্রłর পরবর্তী ধাপসমূহ পরিচালনা করবে দেশের এই শীর্ষ দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: