বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগের দুই নেতা, দেড় বছর পর বহিষ্কার গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে আধিপত্যবাদবিরোধী অঙ্গীকার ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম সুবর্ণচরে কৃষিজমিতে অবৈধ ইটভাটা ভেঙে গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগের দুই নেতা, দেড় বছর পর বহিষ্কার

রাজনীতি ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সঙ্গে আগের সম্পৃক্ততার তথ্য লুকিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এই শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার দুই নেতাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। কিশোরগঞ্জ জেলা এনসিপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক দাপ্তরিক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বহিষ্কৃত হওয়া দুই নেতার মধ্যে মো হুমায়ুন কবির ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়ন এনসিপির আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। অপরজন মো ফরহাদ মিয়া একই ইউনিয়ন কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত বছরের মাঝামা সময়ে বড়িবাড়িতে এনসিপির একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই সমন্বয় কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ ইউনিয়ন কমিটির রূপ দেওয়া হলে তাঁরা সেখানে শীর্ষ পদগুলো লাভ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রাখতে সক্ষম হলেও সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ে। অনুসন্ধানে জানা যায়, হুমায়ুন কবির বড়িবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আর ফরহাদ মিয়া একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দলের ভেতরে ও বাইরে সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত শুরু হয়।

জেলা এনসিপির সদস্যসচিব এ কে এম আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বিগত রাজনৈতিক পরিচয় ও সম্পৃক্ততার তথ্য দলের কাছে সুকৌশলে গোপন করা হয়েছে। এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির সুনির্দিষ্ট গঠনতন্ত্র, শৃঙ্খলা এবং আদর্শের চরম লঙ্ঘন। এই গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল ধরনের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে বলে জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: