শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পাকিস্তান সরে যাওয়ায় এশিয়ার বনেদি মঞ্চে বাংলাদেশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ব্রিটেন, সব জায়গায় পিছু হটছে যুক্তরাষ্ট্র লিথুয়ানিয়ার চাওয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এফবিসিসিআই চায় ভিসা সহজ হোক পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, পাঠাও বলেছে, কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ টন চাল বরাদ্দ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী করা হয়েছে গিয়াস উদ্দিনকে ঢাকায় এক মঞ্চে দেশ-বিদেশের নগরপ্রধানেরা, আলোচনায় বাসযোগ্য শহর অর্থনীতির গতি আরও কমেছে, পাঁচ কারণে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা লক্ষ্মীপুরে দুর্গাপূজা প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি ঠেকাতে বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান আইসিটি মন্ত্রীর

চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ টন চাল বরাদ্দ সরকারের

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে জীবিকা সংকটে পড়া জেলেদের মানবিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার প্রান্তিক জেলে ও মাঝি-মাল্লাদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। উপজেলার নিবন্ধিত মোট ৩৫ হাজার ৬৫৬ জন জেলের প্রত্যেকে ২৫ কেজি করে এই খাদ্যসহায়তা পাচ্ছেন এবং পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ৮৯১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। উদ্বোধনী দিনে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলেদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও সরকারি কার্ড যাচাই-বাছাই করা হয়। কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়াই স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত জেলেদের হাতে এই চাল তুলে দেওয়া নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুরু থেকেই কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে।

জাতীয় সম্পদ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে সরকার নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দেশব্যাপী মাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট সময়ে সব ধরনের ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে। সাময়িক এই কর্মহীন সময়ে জেলেরা যেন কোনো ধরনের খাদ্যসংকটে না পড়েন, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ে এই চাল বরাদ্দ ও বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

চাল সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান যে, নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও সরকারি এই খাদ্যসহায়তা তাদের পরিবারের বড় ধরনের সংকট মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে নেমে প্রজনন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নিষেধাজ্ঞা সফল হলে আগামী দিনে নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বৃদ্ধি পাবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: