বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চার বছর ধরে সড়কের কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ ঢাকা থেকে ১০০ ফ্লাইট বিঘ্নে ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৩৯৩ যাত্রী সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ রাশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাপানি সাংবাদিক আটক, প্রতিক্রিয়া টোকিওর ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ২৪ হাজার কোটি টাকা নভেম্বরের মধ্যেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা ফ্রিজের ওপর সাইবার হামলার কথা আগে শুনেছেন? ফ্রান্সের শত শত সুপারমার্কেটে এমনটা হলো কেন ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি

রাশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাপানি সাংবাদিক আটক, প্রতিক্রিয়া টোকিওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এফএসবি-র হাতে আটক হয়েছেন জাপানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হোক্কাইদো শিম্বুনের একজন সাংবাদিক। গুপ্তচরবৃত্তির গুরুতর অভিযোগ এনে তাকে আটক করা হয় বলে রুশ গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে এই আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কূটনৈতিক ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার দৃষ্টিতে এই ঘটনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাংবাদিক আটকের এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাপানের সরকার। তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক পদক্ষেপে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটিতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। একইসঙ্গে আটক ওই সাংবাদিকের সঙ্গে অবিলম্বে কনস্যুলার সেবা প্রদান এবং তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার জোরালো দাবি জানানো হয়। জাপানি কূটনীতিকরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, তাদের নাগরিকের সঙ্গে যেন কোনোমতেই অমানবিক আচরণ করা না হয়।

এর আগেও রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা বিদ্যমান ছিল। সাম্প্রতিক এই সাংবাদিক আটকের ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে আরও বেশি অস্বস্তি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইউক্রেন সংঘাতের পর থেকে রাশিয়া ও জি-সেভেনভুক্ত দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের যে অবনতি ঘটেছে, এটি তারই একটি নতুন বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।

বর্তমানে টোকিও কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের নাগরিকের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, মস্কো তাদের নিজস্ব আইনি কাঠামোর আওতায় এই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের তদন্ত পরিচালনা করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। গোটা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সাংবাদিকের ভাগ্যে কী ঘটে, সেদিকে এখন গভীর নজর রাখছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: