শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির ধারায় চলতি বছর আমদানি পণ্যের শুল্ক আদায়ে নতুন রেকর্ড হতে চলেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের প্রাপ্ত নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, বছরজুড়ে আমদানি শুল্কের পরিমাণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করছেন যে, বছরের বাকি সময়গুলোতে এই আমদানির পরিমাণ আরও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে।
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণ শুল্ক আদায় হয়েছে। এর আগের পূর্ণাঙ্গ বছরগুলোর তুলনায় এই অংক অনেকটাই বেশি, যা দেশের আমদানি বাণিজ্যের ইতিবাচক চিত্রের বহিঃপ্রকাশ। বিগত তিন বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই সময়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য দেশটিতে থেকে আমদানি করা হয়েছে এবং এর বিপরীতে নিয়মিতভাবে শুল্ক আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দেশটি আমাদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানির পাশাপাশি দেশটিতে আমাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানিও অব্যাহত রয়েছে। মূলত চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিধি দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মূলত জ্বালানি তেল, গম, সয়াবিন, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ, জৈব রাসায়নিক এবং বিভিন্ন ধরনের শিল্প যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়ে থাকে। এছাড়া সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় অংকের বাণিজ্যিক লেনদেনের মাধ্যমে এয়ারক্রাফটসহ বিভিন্ন কৌশলগত পণ্য কেনার বিষয়টিও বাণিজ্যের পরিসর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সরকারের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।