শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা ১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ দেশের সব চিনিকল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল সাঁতারে এক যুগ পুরোনো রেকর্ড ভাঙলেন ইরফানা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

জাতীয় ডেস্ক: সরকার সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও কিছু জটিলতার কারণে নির্ধারিত দিনে এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ঘাটসংক্রান্ত সংকটের কারণে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাহাজমালিকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে আগামী ৫ বা ৬ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত দাপ্তরিক ছাড়পত্র ও অনুমতি পাওয়া সম্ভব হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে এই জনপ্রিয় সমুদ্রপথে পর্যটকবাহী জলযান চলাচলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেন্ট মার্টিন রুটে জাহাজ চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া প্রতিটি জলযানের জন্য অগ্নিনিরাপত্তা সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ইতিমধ্যে কেবল পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র হাতে পাওয়া গেছে, তবে অন্যান্য দপ্তরের অনুমোদন পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ও ছাড়পত্র পাওয়ার পরই জেলা প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অনুমতি দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে ঘাটসংক্রান্ত জটিলতাও জাহাজ চলাচলে বিলম্বের একটি অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং একসঙ্গে অনেক জাহাজ নোঙর করা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ঘাট পরিবর্তনের আবেদন করেছেন মালিকপক্ষ। বিকল্প হিসেবে খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং ইনানী জেটিঘাট ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে খুরুশকুল জেটির নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি এবং সেটি হস্তান্তরও করা হয়নি, ফলে আপাতত পুরোনো নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকেই জলযান পরিচালনা করতে হবে।

নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি জাহাজে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পাম্প এবং লাইফ জ্যাকেটসহ উদ্ধার সরঞ্জাম থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত অনুমতির পর তা কঠোরভাবে তদারকি করা হবে। অন্যদিকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি দিয়ে জাহাজ চলাচল এবারও বন্ধ থাকবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পর্যটকদের দ্বীপ ভ্রমণের সুবিধার্থে ট্যুরিজম বোর্ডের ওয়েবসাইট চালু করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: