শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
হাতিয়ার উন্নয়নে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচিকে কাজে লাগানো হবে – মোহাম্মদ আলী এমপি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৩৯ বছর পর জমি ফিরে পেলেন যদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার শিবালয়ে ১৫তম  মাই টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে- ধর্মমন্ত্রী উজিরপুরে সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত শিবালয়ে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিবাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে ৫ জনের মৃত্যু : আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড ঈদের দিনে সদরঘাটে দুর্ঘটনায় ঝরল ৫ প্রাণ সৌদির সাথে মিল রেখে নোয়াখালীর ৪ গ্রামে ঈদ উদযাপন নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তরা ঘর আগুনে পুড়ে দিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

নতুন প্রজন্মের হাতে ডাকটিকেট পৌঁছে দিতে হবে – ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডাকটিকেট অসাধারণ জ্ঞান অর্জনের হাতিয়ার। নতুন প্রজন্মের হাতে জ্ঞানের হাতিয়ার এই ডাকটিকেট পৌঁছে দিতে হবে। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডাকটিকেট প্রদর্শনীর পাশাপাশি ডাকটিকেট সংগ্রাহক বৃদ্ধিতে নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বাংলাপেক্স-২০২০ এর চতুর্থ বাংলাদেশ জাতীয় ডাকটিকেট প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ আফজাল হোসেন, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সিরাজ উদ্দিন এবং আন্তর্জাতিক ফিলাটেলিক এসোসিয়েশন সভাপতি বার্ণি বেল্টন বক্তৃতা করেন। বাংলাদেশ ফিলাটেলিক এসোসিয়েশন কর্মকর্তা মনির হোসেন অস্ট্রেলিয়া থেকে ওয়েবিনার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। বাংলাদেশ ফিলাটেলিক এসোসিয়েশন ও ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডাকটিকেটের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বৈচিত্র্যপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক, ইতিহাস, সংস্কৃতি, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব কিংবা ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন তুলে ধরার মাধ্যমে ডাকটিকেট একটি দেশ ও জাতির ইতিহাসের বাহক হিসেবে কাজ করে। ডাকটিকেট প্রদর্শনী ভার্চুয়াল মাধ্যমে জাতীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রূপান্তর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডাকঘরকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, চিঠিপত্র ও ম্যানুয়েল যোগাযোগ ব্যবস্থা ডিজিটাল ফর্মেটে তৈরি হওয়ায় ডাকঘরের কাজের পরিধি অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাক ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্য পরিবহনে ডাকঘরের প্রয়োজনীয়তা অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, করোনাকালে প্রচলিত পণ্য, বাজার ও বাণিজ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। ডাকঘর সারাদেশে বিদ্যমান বিশাল নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল বাণিজ্যে অভাবনীয় ভূমিকা রাখবে। ডাকঘরকে ডিজিটাল রূপান্তরে সরকার গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ডাকসেবাকে আগামী দিনের চাহিদার আলোকেই ব্যাপক সংস্কারসহ ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

ডাক অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফিলাটেলিক ফেডারেশন, বিএনপিএ এবং পিএবি’র যৌথ উদ্যোগে এই ভার্চুয়াল ডাকটিকেট প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।

এই উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড প্রকাশ করেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আজ ঢাকায় তার দপ্তরে বাংলাপেক্স ২০২০ প্রদর্শনী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন এবং ডাটা কার্ড প্রকাশ করেন। এ উপলক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: