রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের ৯০ মিনিট ছাড়িয়ে অর্থনীতির যে মহাযজ্ঞ বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধের অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির বন্যার কারণে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত নাজিমগঞ্জ বাজারের প্রবীণ মাংস ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ আর নেই পুরনো আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, কার্যকর আইন আনছে সরকার: আবুল খায়ের ভূঁইয়া ফুলবাড়ীতে আমন চাষে তোড়জোড়, জলাবদ্ধতা থেকে চারা গাছ রক্ষায় দোগাছি তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক গোপালগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার উজিরপুরের মোঃ শহিদুল ইসলাম লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ ও ফলজ বাগান উদ্ধোধন কুমিল্লার সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার সঙ্গে কামরুল হুদার সাক্ষাৎকার

ইলন মাস্কের পদত্যাগ চান ১ কোটি টুইটার ব্যবহারকারী

নিউজ ডেস্ক :: নিজের পদত্যাগ করা উচিত কিনা গতকাল এমন জরিপ চালিয়েছেন টুইটারের সিইও ইলন মাস্ক। সেই জরিপে মাস্কের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে এক কোটির বেশি। মাস্কের পদত্যাগের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৫৭.৫ শতাংশ টুইটার ব্যবহারকারী। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

ইলন মাস্কের করা ওই জরিপে মোট ভোট দিয়েছেন এক কোটি ৭৫ লাখ মানুষ। এতে তার পক্ষে ছিল ৪২.৫ শতাংশ ভোটার। জরিপের পর পদত্যাগ করার বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি ইলন মাস্ক। তবে তিনি ওই জরিপের এক কমেন্টে জানিয়েছেন— কোম্পানির নীতি পরিবর্তনবিষয়ক সিদ্ধান্ত প্রণয়নের ক্ষেত্রে পরে গণহারে জরিপ না করে নীল টিক চিহ্ন যুক্ত টুইটার ব্যবহারকারীদের মতামত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ইলন মাস্ক টুইটারের সিইও হয়েছেন দুই মাসও হয়নি। এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি কেনার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন মার্কিন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও স্পেস-এক্সের সিইও। টুইটার কেনার পর বিশ্বের সবচেয়ে ধনীর তালিকা থেকেও বাদ পড়েন তিনি।

গত অক্টোবরে টুইটার কেনেন ইলন মাস্ক। এর পর এর সিইওসহ উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে নিজেই সিইও পদে বসেন। সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায়ই পোল খুলতে দেখা গেছে তাকে। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বন্ধ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করে দেওয়া হবে কিনা এ বিষয়েও জরিপ করেন তিনি। পরে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ইলন মাস্ক টুইটার কেনার পর অনেকেই আগ্রহ হারিয়েছেন এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বাকস্বাধীনতার নামে টুইটারে ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানোর হার আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: