মঙ্গলবার, ১৮ Jun ২০২৪, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থী নির্যাতন প্রতিরোধে মাদরাসা প্রধানদের সাথে পুলিশের মতবিনিময় সভা মালয়েশিয়ায় ১২৩ বাংলাদেশীসহ ২১৪ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার বেনজিরের আরও সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ মডেল মির্জা মাহির প্রথম মিউজিক ভিডিও “কিশোরী রোদ” জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর সাংগঠনিক সম্পাদক আমান ডেঙ্গু জ্বর আক্রান্ত শিবালয়ে ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫ চৌদ্দগ্রামে ভূমি সেবা সপ্তাহ’র ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন কবে, জানালেন ওবায়দুল কাদের

খুবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন

আশরাফুল ইসলাম রনি, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষককে বহিষ্কার এবং দুই শিক্ষককে অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

আজ রবিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান আরিফের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বায়েজিদুল ইসলাম মজুমদার, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান, ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদা ইসলাম নিহি প্রমুখ।

মানববন্ধনে অনতিবিলম্বে খুবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, প্রশাসন হবে ছাত্রদের বন্ধু। ছাত্রদের উপর অন্যায়-অবিচার চালানো পাকিস্তানি প্রশাসনের বৈশিষ্ট্য। গণতান্ত্রিক দেশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন আচরণে কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বক্তারা আরো বলেন, যেখানে ছাত্রদের যেকোনো সমস্যা এবং অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শিক্ষকরাই মুখ্য ভূমিকা রাখার কথা সেখানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনকে অযৌক্তিক চিহ্নিত করে প্রশাসন অযৌক্তিক পদক্ষেপ নিয়েছে। যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং তা প্রশাসনের স্বৈরাচারীতার ইঙ্গিত বহন করে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ ও ২ জানুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করেন। পরে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ, তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ওই দুই শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তাঁদের আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে অপসারণ এবং এক শিক্ষককে বহিষ্কারও করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে দুই শিক্ষার্থী আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং সবশেষ খবর অনুযায়ী বর্তমানে অনশনরত দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: