মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক বোন পরিচয়ে টাকা দাবি তরুণীর, সতর্ক করে যা বললেন অভিনেত্রী অহনা আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম কমল কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? শুধু আইন করে নয়, জনসচেতনতার মাধ্যমেই মাদক নির্মূল সম্ভব: মির্জা ফখরুল দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন উজিরপুরে মৎস্য অভিযানে ৩০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক নড়াইলে চলন্ত নসিমন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর মাষ্টার্স পর্যন্ত উপবৃত্তিসহ মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার : এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া

ঠাকুরগাঁওয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে চলাচলে দূর্ঘটনার আশঙ্কা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :: ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ভাঙ্গা সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা। এতে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। সেতুটি উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের বাজে বকসা গ্রামে অবস্থিত ।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আওতাধীন রাণীশংকৈল-নেকমরদ মহাসড়ক ঘেঁষা মীরডাঙ্গী থেকে কাতিহার হাট পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক শুধুমাত্র এই জরাজীর্ণ সেতুটির কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, চার বছর আগে কয়েক ধাপে মীরডাঙ্গী থেকে কাতিহার হাট পর্যন্ত প্রায় ৯কিলোমিটার পাকা সড়ক প্রায় ৮কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। সড়ক নির্মাণের পর থেকেই সড়কটিতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, স্থানীয় মানুষসহ বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল ব্যাপক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যস্ততম সড়কে পরিণত হয় এটি। তবে নতুন সড়ক নির্মাণের সময়েও বহু পুরোনো এই সেতুটি বেহাল থাকলেও নতুন করে নির্মাণ না করায় ভাঙ্গা এই সেতু নিয়ে বর্তমানে দূর্ভোগে রয়েছে পথচারীসহ স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মীরডাঙ্গী হতে কাতিহার হাট সড়কের বাকসা সুন্দরপুর এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাকা সড়কের একটি সেতু দুই ধাপে ভেঙ্গে পাথরের ঢালাই উঠে খাল হয়ে প্রায় ২ফিট করে দুই স্থানের রড বেরিয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলছে, সেতুটি দিয়ে কোন ভাড়ী যানবাহন চলাচল করতে পারে না। কয়েক দিন আগে এক মোটসাইকেল আরোহী অসাবধনতা বশত ভাঙ্গা সেতুর অংশে গাড়ী উঠিয়ে দিয়ে দূর্ঘটনার কবলে পড়লে স্থানীয়রা উদ্বার করে হাসপাতালে নেয়। ভাঙ্গা সেতুটির কারণে এমন দূর্ঘটনা মাঝে মধ্যেই ঘটে থাকে।

স্থানীয়রা আরও বলেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হলেও মাত্র দশ ফিট প্রস্থ ও প্রায় পঞ্চাশ ফিট দৈর্ঘ্যর সেতুটি তখন নির্মাণ না করায় বর্তমানে আমরা সড়কটির যথাযথ ব্যবহার করতে পারছি না। নতুন সড়ক নির্মাণের সময় কর্তৃপক্ষকে বার বার তাগাদা দেওয়া হলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি।

উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না জানান,সেতুটি খুব ভয়ানক অবস্থায় রয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত সেতুটি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণে পদক্ষেপ নিবো।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী তারেক বিন ইসলাম বলেন, খুব শিগগির সেতুটি পূর্ণ:নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের অনুমোদন পেয়ে অর্থ বরাদ্দসহ টেন্ডার হলেই সেতুটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করা হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: