বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সিইসির সহায়ক হিসেবে ২০ কর্মকর্তা নিয়োগ গোপালগঞ্জে বাস থেকে তিন কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নড়াইলে জাতীয় মৎস্য পক্ষ এর সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ উত্তর-পূর্ব সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য উদ্ধার স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড উজিরপুরে ৪১ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর উদ্বোধন জলাবদ্ধতায় নাকাল গৌরনদী পৌরবাসী, ডেঙ্গু ও চর্মরোগের চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি ইতিহাস পাঠের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ১৫ আগস্ট ঘিরে টুঙ্গিপাড়ায় নিরাপত্তার চাদর, প্রতিটি মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি

শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধের কড়া নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর

আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির আগেই দেশের সকল শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

আরএমজি ও নন-আরএমজি খাতে সম্ভাব্য শ্রম অসন্তোষ নিরসনে করণীয় নির্ধারণে এই সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, কোনো অবস্থাতেই যেন শ্রমিকের পাওনা নিয়ে জটিলতা তৈরি না হয় এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি কারখানা মালিকদের সঙ্গে কথা বলে বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা নেবেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ইউসিবিএল, ট্রাস্ট ও প্রিমিয়ার ব্যাংকসহ যেসব ব্যাংক ঋণ প্রদানে দেরি করছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত অর্থের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেসব শ্রমিক নেতা অহেতুক উসকানি দিয়ে শিল্পখাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের ওপর স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদ সদস্যদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। পাশাপাশি পলাতক মালিকদের প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা তৈরি করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন সরকারের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে জানান, সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যেই বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ অনুযায়ী কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।

বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু থাকা ২১২৭টি কারখানার মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৭২ শতাংশের বেশি কারখানা ইতিমধ্যে বোনাস পরিশোধ করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মার্চ মাসের বেতন বাধ্যতামূলক না হলেও অনেকে এ নিয়ে উসকানি দিচ্ছে। বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও জানান যে, অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস দিয়ে দেওয়ায় বড় ধরনের অসন্তোষের আশঙ্কা নেই।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: