সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন কলেজের ৬৯০ জন শিক্ষককে জাতীয়করণের আগে পাওয়া সপ্তম গ্রেড দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিন বছর আগে দায়ের করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ সোমবার রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন আদালত।
বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী জানান, জাতীয়করণের আগে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর প্রায় ৬৯০ জন প্রভাষক সপ্তম গ্রেডে বেতন পেতেন। কিন্তু কলেজগুলো জাতীয়করণের পর তাঁদের গ্রেড কমিয়ে নবম গ্রেড করা হয়। এর ফলে তাঁরা চাকরিগত অধিকার ও সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—এমন দাবি করে ২০২৩ সালে হাইকোর্টে রিট করেন তাঁরা।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ সেই রুল নিষ্পত্তি করে ৬৯০ জন শিক্ষককে জাতীয়করণের আগে প্রাপ্ত সপ্তম গ্রেড দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাঁকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান ও মো. হারুনুর রশীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জামালুর রহিম খান (জে আর খান রবিন)।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ জানান, এর আগে একই ধরনের একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১১ জুলাই ৪৫ জন প্রভাষকের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালে দায়ের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত ৬৯০ জন প্রভাষককে জাতীয়করণের আগে তাঁদের প্রাপ্ত সপ্তম গ্রেড দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রিটটি নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী আরও বলেন, জাতীয়করণের পর এসব শিক্ষক যে বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন, হাইকোর্টের আজকের রায়ের মাধ্যমে তাঁদের সেই অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর দ্রুত তা বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।