রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শেখ ফরিদ আহমেদ, গোপালগঞ্জ :
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানির শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মেহেদী হাসান রাসেলের ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা৷ অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ গোপালগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ ও সহকারী দায়রা জজ ২য় আদালতে জিআর ৩৪৬/২৩ মামলার এই রায় ঘোষনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ইয়াসিন আরাফাত। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় গত ১০ মার্চ ২০২৩ ইং তারিখে দায়ের করা মামলা নং- ১১(৩) ২০২৩ এর ধারাগুলো ছিলো ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩৪১/৫০৬ পেনাল কোড। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এই মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এম এ আলম সেলিম এবং এডভোকেট ফয়সাল সিদ্দিকী। রায় শোনার পরই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কাশিয়ানীর শান্তিপ্রিয় জনসাধারণ। এমনকি ঐ এলাকায় মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস করতে দেখা যায় নিরীহ জনতাকে৷ সন্ত্রাসী রাসেলের আরও দুই সহযোগী এসএম সাজিদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন শেখ ও আব্দুল্লাহ শেখ ওরফে আব্দুল্লাহ র একই সাজা ঘোষণা করেছেন আদালত৷
এর আগে মেহেদী হাসান রাসেল এর বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গিয়েও পুলিশ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে মর্মে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিলো।
গত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গোপালগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার রাসেল বাহিনীর প্রধান মেহেদী হাসান রাসেলকে আটক করেছিলো পুলিশ। অদৃশ্য প্রভাবে সে জামিনে বেরিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত কারণ তারা জানে মেহেদী হাসান রাসেল সময়ে ভীতিকর অবস্থা তৈরিতে সচেষ্ট। রাসেল বাহিনী শুধু গোপালগঞ্জেই নয়, দেশের ভিভিন্ন স্থানে ভাড়াটে খুনি হিসেবে কাজ করে। ডাকাতি-খুন-ধর্ষণসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে।
মেহেদী হাসান মিয়া ওরফে রাসেল(৩৪) গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত বালা মিয়ার ছেলে। রাসেল বাহিনীর প্রধান মেহেদী হাসান রাসেল এর নানাবিধ অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ। রাসেলের বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এছাড়া কাশিয়ানী থানা সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী হাসান রাসেল দেশের কয়েকটি জেলায় বেশ কয়েকটি মামলার এজাহারভূক্ত আসামী।