রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ ইতনা গণহত্যার শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে লোহাগড়ায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বনপাড়ায় রাস্তার কাজে অনিয়ম: সরকারি গাড়ি পরিহার করে ছুটির দিনেও মাঠে পৌর প্রশাসক গোপালগঞ্জে ‘প্রজ্বলিত গোপালগঞ্জ’-এর গণ-মানববন্ধন শিশু রা‌মিসা‌কে উৎসর্গিকৃত ক‌বিতা প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে: বিমানবন্দর থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ভূমি ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ গৌরনদীর এসিল্যান্ডের নড়াইলে মসজিদের চাল আদায় ও কমিটি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২ ধনবাড়ীতে পুন:খাল খনন পরিদর্শন ইউএনও’র

হাওর অঞ্চলের দুর্দশা সংসদে: নৌকা আর মোটরসাইকেলই ভরসা, উন্নয়নের জোর দাবি এমপি কামরুলের

তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ

জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,মাননীয় স্পিকার আমাদের বর্ষাকালে নৌকা করে চলতে হয়,আর হেমন্তে মোটরসাইকেল। এছাড়া যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা নেই। এক ইউনিয়ন থেকে আরেকটি ইউনিয়নে যেতে নেই সরাসরি সংযোগ সড়ক। পাকা রাস্তা নেই বললেই চলে।

উল্লেখ্য,সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ অঞ্চলের নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন,সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।

কামরুল বলেন,কিছু দিন আগে পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভাই,আমার অঞ্চলটি ঘুরে দেখে এসেছেন। আমাদের হাওরবেষ্টিত অঞ্চল। সুনামগঞ্জ জেলা থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার ধান উৎপাদিত হয়। যার বেশিরভাগ আবার আমার(জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে। পানিসম্পদ মন্ত্রীকে বলতে চাই, হাওরের ফসলরক্ষার জন্য অনেক বেড়িবাঁধ আছে। এসব বেড়িবাঁধের কাজ পিআইসির মাধ্যমে হয়। হাওরে বেড়িবাঁধের কোনটার ৮০ শতাংশ আবার কোনটার ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পিআইসিগুলোকে এখন পর্যন্ত বিল দেওয়া হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। এমনটি চলতে থাকলে আগামীতে কেউ পিআইসি নিবে না। মাটির অভাবে করা যাবে না বাঁধের কাজ। তাছাড়া গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে হাওরের কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের কষ্টের ফসল এখনই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

সাংসদ আরও বলেন, এখানে অনেক নদী রয়েছে। যেগুলো অনেক আগেই নাব্যতা হারিয়েছে। নদীগুলোতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খনন করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে আপনি আমার এলাকায় গিয়েছিলেন। সেই সফরে আমাদের থাকার সুযোগ হয়েছিল। আপনি সেদিন দেখেছেন, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার নাজুক চিত্র। শিক্ষা আর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতেও আমরা অবহেলিত। কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোর অবস্থাও নাজেহাল। এগুলোতে মনোনিবেশ দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

শেষে কামরুল বলেন, এখানে তিনটি শুল্ক স্টেশন আছে। সরকার সেখান থেকে তিনশো কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব পেয়ে থাকে। কিন্তু সে মোতাবেক এখানকার উন্নয়ন হয়নি। পরিবর্তে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। প্রধানমন্ত্রীকে কথা দিচ্ছি, শুল্ক স্টেশন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে রাজস্বের পরিমাণ বেড়ে হাজার কোটিতে পৌঁছবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: