বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস সিলেটে আলোচনা সভা করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নেতারা, স্থান উল্লেখ করেননি প্রাণিসম্পদে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে: প্রতিমন্ত্রী সংবিধানকে অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন মনিটরিং নীতিমালা, আসছে পরিমার্জিত কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী ববি আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে চাকরির সুযোগ নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা হ্রাসের পেছনে যত কারণ পিএসসি সংস্কার ও সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ছাত্রশিবিরের ১৩ দফা প্রস্তাবনা মানহীন মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ৯৭৫ থেকে ২,০৬০ টাকা: সাড়ে ৫ বছরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দ্বিগুণের বেশি

রায়ের তারিখ পরিবর্তন: অদিতা হত্যা মামলার রায় ২৯ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলার রায় ঘোষণার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করে আগামী ২৯ এপ্রিল ধার্য করেছে আদালত।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ তারিখ নির্ধারণ করেন। ষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম শাহী। তিনি বলেন, বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও এজলাসে বসেই বিচারক রায়ের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন। ফলে রায়ের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৯ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহত অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়েরশিক্ষিকা। অভিযুক্ত আব্দুর রহিম রনি (৩২) একই এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে অদিতার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ওই দিন রাতেই অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে পুলিশ। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অদিতা কিছুদিন আগে রনির কাছে পড়া বন্ধ করে অন্যত্র কোচিং শুরু করলে ক্ষুব্ধ হন তিনি। ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে তিনি বাসায় প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অদিতার মা রাজিয়া সুলতানা বলেন, “আমার মেয়ে হত্যার ন্যায়বিচার চাই। খুনির এমন শাস্তি হোক, যাতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ এবং তার পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: