বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মুন্না, সদস্য সচিব সিয়াম সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শেখ তুহিনের গ্রেফতার দাবিতে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় উঠান থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ক পথনাটক অনুষ্ঠিত নড়াইলে ইয়াবা সেবন করায় দুই যুবকের বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিং এডুকেটেড পক্ষ থেকে গাছের চারা বিতরণ মানবপাচার দমনে নতুন আইন কঠোর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন চিফ ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেবে মীনা বাজার লক্ষ্মীপুরে ৪ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা

রায়ের তারিখ পরিবর্তন: অদিতা হত্যা মামলার রায় ২৯ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলার রায় ঘোষণার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করে আগামী ২৯ এপ্রিল ধার্য করেছে আদালত।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ তারিখ নির্ধারণ করেন। ষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম শাহী। তিনি বলেন, বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও এজলাসে বসেই বিচারক রায়ের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন। ফলে রায়ের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৯ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহত অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়েরশিক্ষিকা। অভিযুক্ত আব্দুর রহিম রনি (৩২) একই এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে অদিতার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ওই দিন রাতেই অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে পুলিশ। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অদিতা কিছুদিন আগে রনির কাছে পড়া বন্ধ করে অন্যত্র কোচিং শুরু করলে ক্ষুব্ধ হন তিনি। ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে তিনি বাসায় প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অদিতার মা রাজিয়া সুলতানা বলেন, “আমার মেয়ে হত্যার ন্যায়বিচার চাই। খুনির এমন শাস্তি হোক, যাতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ এবং তার পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: