বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১ জনের যাবজ্জীবন নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

সেন্ট মার্টিনে রাতে থাকা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক: দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ ও সেখানে রাতযাপন নিয়ে পর্যটক এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা এই দ্বীপে যাতায়াতের পাশাপাশি রাতেও অবস্থান করতে পারবেন। এর আগে আন্তমন্ত্রণালয় সভার একটি নির্দেশনায় নভেম্বর মাসে রাতে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় দ্বীপের হোটেল মালিক ও পর্যটকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা শুরু হয়েছিল।

মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শীত মৌসুমের পুরো সময় জুড়েই পর্যটকরা সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপন করার সুযোগ পাবেন। গত কয়েকদিন আগে পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনার কারণে কিছু ধোঁয়াশা তৈরি হলেও, পরবর্তীতে তা সংশোধন করে নতুন পরিপত্র বা নির্দেশনা কার্যকর করা হয়। ফলে ভ্রমণপিপাসুরা আগের মতো নির্দিষ্ট মাসগুলোতে সেন্ট মার্টিনে গিয়ে রাত কাটাতে পারবেন যা পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্রমণপ্রত্যাশীদের আগের মতোই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজে উঠতে হবে। তবে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এবার প্রতিদিন দ্বীপটিতে সর্বমোট সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পর্যটককে দ্বীপে ভ্রমণের জন্য ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।

পরিবেশ সুরক্ষার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ ও নিয়মাবলী বহাল রাখা হয়েছে যা প্রতিটি পর্যটককে মেনে চলতে হবে। দ্বীপের স্পর্শকাতর প্রকৃতি রক্ষায় রাতে সৈকতে বা এর আশপাশের এলাকায় কোনো ধরনের উজ্জ্বল আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে গান বাজানো কিংবা বারবিকিউ পার্টি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও প্রবাল ধ্বংস করা, এবং সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল বা সি-বাইকের মতো মোটরচালিত যান চালানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: