সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা: পদত্যাগ করলেন আরও এক বিচারপতি সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়ে আইজেনকট বললেন, সবার জন্য দরজা খোলা ‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন লক্ষ্মীপুরে আন্তঃ উপজেলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক: দেশের আর্থিক খাতের তীব্র তারল্য সংকটের মধ্যেই সংকটাপন্ন কয়েকটি ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিশাল অঙ্কের অর্থ জমা রাখার ঘটনাটি নিয়ে গুরুতর আপত্তি উঠেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই বিষয়টির ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং এমন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খতিয়ে দেখার ওপর জোর দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বন্দর কর্তৃপক্ষের মতো একটি সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের এমন বিপুল পরিমাণ অর্থ নিরাপদ স্থানে না রেখে ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করাটা কতটা যৌক্তিক ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কমিটির সদস্যরা।

সংসদীয় কমিটির পর্যালোচনা অনুযায়ী, বর্তমানে আর্থিক সংকটে ভুগছে এমন অন্তত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি আমানত গচ্ছিত রয়েছে। নিয়মনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে এই ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের কারণে বন্দর কর্তৃপক্ষের তহবিল নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মূলত ওই ব্যাংকগুলোর বর্তমান আর্থিক অবস্থা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা সত্ত্বেও কেন এই আমানতগুলো সেখানে রাখা হলো, তা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন কমিটির সংসদ সদস্যরা।

বৈঠক শেষে সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে এই আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির মতে, সাধারণ আমানতকারীদের পাশাপাশি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল এভাবে ঝুঁকিতে ফেলার পেছনে যাদের অবহেলা বা অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের এই আমানতগুলো নিরাপদে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংকটপূর্ণ ব্যাংকগুলো থেকে সরকারি এই অর্থ উদ্ধার করে অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল ও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে স্থানান্তরের জন্য একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে সরকারি কোনো সংস্থা যেন এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, সেজন্য তদারকি ব্যবস্থা আরও কঠোর করার তাগিদ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: