শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, থাকবে সরকারি ছুটি ফুলবাড়ীর প্রধান সড়কের পার্শ্বে পণ্য রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড চৌদ্দগ্রামে নারী উদ্যোক্তা প্রমি হত্যার বিচার দাবীতে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং ১০ম বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন আঁখিরা গণহত্যা দিবস আজ: ফুলবাড়ীতে ১৯৭১-এর বর্বর হত্যাযজ্ঞে দেড় শতাধিক প্রাণহানি মুন্সীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ফের নতুন আলোচনায় রণবীর সিং ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা নিলামে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পদ্মা সেতুতে বসানো হলো ৩৯তম স্প্যান

নিউজ ডেস্ক :: স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার আর মাত্র দু’কদম বাকি রইলো। এবার বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩৯তম স্প্যান। এর ফলে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর পাঁচ হাজার ৮৫০ মিটার। এখন আর মাত্র দুটি স্প্যান বসালেই (৩০০ মিটার) দেখা যাবে ছয় হাজার ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সম্পূর্ণ পদ্মা সেতু।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ২২ মিনিটের দিকে মাওয়া প্রান্তের ১০ ও ১১ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান আবদুল কাদের। ৩৮তম স্প্যান বসানোর ছয় দিনের মাথায় এটি বসানো হলো।

আবহাওয়া ভালো থাকায় ও কোনও কারিগরি জটিলতা না থাকায় সহজেই স্প্যানটি বসানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে, সকাল ৯টার দিকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ক্রেন ‘তিয়ান-ই’ মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটিকে বহন করে রওনা দেয়। এরপর দূরত্ব অতিক্রম সেখান থেকে নির্ধারিত পিলারের কাছে এসে পৌঁছায় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে।

গত মাসেও টার্গেট অনুযায়ী চারটি স্প্যান বসানো হয়েছে সেতুতে। আর ৩৯তম স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে এ মাসে চারটি স্প্যান বসানোর টার্গেটও সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকৌশলী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বসানো হয়েছিল। প্রথম স্প্যান থেকে শুরু করে আজ ৩৯তম স্প্যান বসানো পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময় ছিল তিন বছর একমাস ২৮ দিন। ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারে ৪০তম স্প্যান (স্প্যান ২-ই) বসানোর পরিকল্পনা আছে প্রকৌশলীদের। চলতি বছরের বিজয় দিবসের আগেই মাওয়া প্রান্তে ৪১তম স্প্যানটি বসার কথা রয়েছে।

মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী-শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।
এসএ/


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: