বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি, রাজশাহী : আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় সংঘঠিত মুরারীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী মোসা: সামিরা খাতুন (১০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পর্বক হত্যাকান্ডের ঘটনার গত ০৯/০৭/২০২২ ইং তিন বছর পেরিয়ে চতুর্থ বছরে পড়ল। ধর্ষিতার পিতা মোঃ শামীম এর প্রশ্ন আর কতদিন অপেক্ষা করলে আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার পাব? বিচার বিলম্বিত আইনের একটি বড় দুর্বল দিক। এই রকম হাজারও সামিরা ধর্ষিত হয়েছে বা হচ্ছে যার সবটুকু গণমাধ্যমে আসে না।
বাদীর ভাষ্য মতে ঘটনার শুরু থেকেই তৎকালীন কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদ পারভেজ, সেকেন্ড ইনচার্জ ইমরান,এস,এই মৌসুমী ও এ,এস, আই জীবনের বিরুদ্ধে। মামলাটি অপমৃত্যু হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে পর পর দুইবার চূড়ান্ত রিপোর্ট মিথ্যা দাখিল করেন। পরবর্তীতে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করে মাত্র দুই জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। যার নারী ও শিশু মামলা নং -১০৯/২৫ ।
বাদী ও বাদীর নিযুক্ত আইনজীবী উপরোক্ত পুলিশ কর্মকর্তাগণের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত ভাবে আলামত নষ্টের অভিযোগ করেন। যার সত্যতা পাওয়া যায় একটু মামলার এজাহারের দিকে তাকিয়ে দেখলে। যেমন হত্যাকাণ্ড ০৯/০৭/২০২২ ইং দুপুর তিনটার দিকে হলেও বাদী থানায় কোন মামলা দায়ের করতে পারেনি। উল্টো তাকে গালিগালাজ ও চড় থাপ্পড় দিয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেয় বলে তারা জানান।
পরবর্তীতে ২১/০৯/২০২২ ইং দুপুর অনুমান ১.০০ টার দিকে বাদীর স্ত্রী ভাত রান্না করা অবস্থায় জোর পূর্বক বাদী ও তার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে এসে এজাহারে বাদীর স্বাক্ষর নেন। বাদী আসামী হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করেন তাদের আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করে উল্টো বাদিকে চড় থাপ্পড় মারে এবং বলে আসামী হিসেবে যাদের নাম বলছিস তাদের নাম বললে তোর অসুবিধা আছে। কেন মামলা দায়ের করেন ২১/০৭/২০২২ ইং?
এর কোন উত্তর নেই।
বর্তমানে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত – ১ এ বিচারাধীন আছে। বাদী বলেন আমি দরিদ্র রিক্সা চালক হওয়ায় কি বিচার পাব না! বাদীর ভাষ্য মতে আসামী শামীম, রকি, টি আলম, গোলাপ,বাবু, পারভীন। অথচ এদের কাউকেই আসামী করা হয়নি অজ্ঞাত কারণে।
বাদীর মতে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।