মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চাটখিলে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে অব্যাহতি দেয়ায় আনন্দ মিছিল  চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু ট্রেনে পায়ের আঙুল কাটা পড়েছে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের ঈদে ১৪ টি মিউজিক ভিডিও মুক্তি পেয়েছে প্রিন্স খানের চাটখিলে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তপ্তদেহ শীতল করতো গাছের নিচে বসেই, গাছ না থাকায় এত গরম সরকার হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে বদ্ধপরিকর-ধর্মমন্ত্রী দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজের সাথে যারাই জড়িত, তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী – আনু মুহাম্মদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে- সুবর্ণচর উপজেলা আ.লীগ হাতিয়ার উন্নয়নে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচিকে কাজে লাগানো হবে – মোহাম্মদ আলী এমপি

সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির সহায়তায় ৭৬৬ মামলা নিষ্পত্তি

বাঙলার জাগরণ ডেস্ক :: অসহায়, দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের সরকারি খরচায় ৭৬৬ টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন জাতীয় আইনগত সংস্থার সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির যাত্রা শুরু হয়। সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪২টি মামলা গ্রহণ করে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়া শুরু করে। ইতোমধ্যে এসব মামলার মধ্যে ৭৬৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে গ্রহণ করা মামলার মধ্যে রয়েছে ফাষ্ট আপিল (এফএ) ২৪ টি, সিভিল রিভিশন ২০৮টি, ক্রিমিনাল আপিল ৮৩টি, ক্রিমিনাল রিভিশন ৭০টি, রিট পিটিশন ৭৩টি, লিভ টু আপিল ও সিপি ফাইলিং ৬৫টি এবং জেল আপিল ৮১৯টি। এছাড়াও সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস ১৬ হাজার ৫৭৯ জনকে বিনামূল্যে আইনগত পরামর্শ সেবা দিয়েছে।

বিগত অর্ধযুগ ধরে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টে অসহায় দরিদ্ররা বিনামূল্যে মামলা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন। এক সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা ছিল যে, উচ্চ আদালতে অনেক বেশি টাকা খরচা ছাড়া মামলা করার সুযোগ নেই। সে ধারণা পাল্টে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি। ইতোমধ্যেই সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদানে ৬ বছর অতিক্রমও করেছে।

২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস উদ্বোধন করেন দেশের প্রধান বিচারপতি। তার আগেই গঠন করা হয় সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত সরকার দেশের স্বল্প আয়ের ও অসহায় নাগরিকদের আইনি সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০০০ সালে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ করেন। এ আইনের অধীনেই প্রতিষ্ঠা করা হয় জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। এ সংস্থার অধীনে এখন সুপ্রিমকোর্টসহ দেশের সব জেলায় লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ করছে। কারা এ আইনের অধীনে সেবা পান তা আইনেই সুনির্দিষ্ট করা আছে।

এদিকে মহামারি করোনার মধ্যেও সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে করোনার এই প্রাদুর্ভাবের কারণে আইন সহায়তা প্রত্যাশীরা অফিসের নির্ধারিত নাম্বারে (০১৭০০-৭৮৪২৭০) যোগাযোগ করলেই আইনি পরামর্শ পাচ্ছেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্ধারিত হটলাইন নাম্বার ১৬৪৩০ নম্বরে (টোল ফ্রি) আইনি সেবা অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে আগত আইনগত সহায়তা প্রত্যাশীদের অফিসে মাস্ক পরিধান তথা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা আছে । তবে বিচারপ্রার্থীদের অফিসে প্রবেশের ক্ষেত্রে হাত ধোয়া ও জীবাণুমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় অফিস থেকেই সরবরাহ করা হচ্ছে। সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত এ অফিসের প্রবেশ মুখেই প্রয়োজনীয় হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় রাখা আছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: