রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এতিমদের সাথে চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির ইফতার ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫ জ্বালানি নিয়ে হঠাৎ হাহাকার—বাস্তবতা, গুজব ও মজুতদারদের সুযোগসন্ধানী খেলা – কে এম মোবারক শিবালয়ের আরিচা তিন নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ব্রাস্ট হয়ে ১ জন নিহত, ১ জন আহত কালীগঞ্জে খোলা বাজারে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির অভিযোগে জরিমানা মুন্সীগঞ্জে বৃদ্ধা হত্যা রহস্য উদঘাটন তাহিরপুরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ, তালাবদ্ধ বাদীর বসতঘর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নারীর নিরাপত্তা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বাজেট বৃদ্ধি সহ ১০টি দাবি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ৬৬০ সুন্নি আলেমের ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শনে নোয়াখালীতে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী

বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :: আমন ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এবার ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জমিতে পানি সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজ উঠানো ও প্রস্তুতকৃত জমিতে চারা রোপণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে কৃষকরা।

চলতি মৌসুমের আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। প্রতি একরে প্রায় ৪০ মণ ও মূল্য প্রতিমণ এক হাজার থেকে এগারশ টাকা পেয়ে কৃষকদের বোরো আবাদে এবার আগ্রহ বেড়েছে। এদিকে সকালের শীত উপেক্ষা করে সন্ধ্যা অবধি জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ বা জমিতে হাল চাষ দিচ্ছেন। কেউ জমির আইলে কোদাল পাড়া কিংবা জৈব সার বিতরণ কাজে ব্যস্ত। কেউ সেচের জন্য ড্রেন নির্মাণ কিংবা পাম্পের বা শ্যালো মেশিনের জন্য ঘর তৈরি করছেন। আবার অনেকে তৈরি জমিতে পানি সেচ দিয়ে ভিজিয়ে রাখছেন। আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ করে কেউবা বীজতলা থেকে চারা তুলে তা রোপণ করছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় ৬৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর জেলায় ৬০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ১২ হাজার ৯৪ হেক্টর ও উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ৪৮ হাজার ২১৫ হেক্টর।

সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের চাষি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হয়েছে আমাদের। এবার আমন চাষে করে আমরা লাভবান হয়েছি। সেই আশায় পুরোদমে আবার বোরো আবাদ শুরু করে দিয়েছি। একই এলাকার কচুবাড়ি গ্রামের বিজয় রায় জানান, গত আমন মৌসুমে ব্রি-জাতের সোনার বাংলা, ব্রি -আঠাশ, ব্রি -৫১, জিরাশাইল ধানের ফলন ও বাজারমূল্য ভালো পাওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে আবাদ করতে তারা বেশি আগ্রহী।

অন্যান্য বছর কোল্ড ইনজুরিতে পচন লেগে বীজ চারা নষ্ট হয়ে যেতো। কিন্তু এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো চারাও বেশ ভালো হয়েছে।সদরের গড়েয়া এলাকার বাসিন্দা গোলাম মস্তোফা জানান, বোরো ধান লাগাতে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হয়। এছাড়া বোরো আবাদে খরচও বেশি হয়। বোরো ধান লাগানোর পর থেকে তিন-চার দিন পরপর সেচ দিতে হয়। আশা রাখি বোরো আবাদ হলে বেশি লাভবান হবো।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব উদ্দীন বলেন, জেলায় সবেমাত্র বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনের আবহাওয়ার গড় সর্বনিম্ন ১০ এবং সর্বোচ্চ ২৫ বিরাজ করছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে এবং গভীর নলকূপগুলো সচল হলে খুব শিগগিরই বোরো ধান রোপণ শেষ হবে। সেইসঙ্গে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: