মঙ্গলবার, ১৮ Jun ২০২৪, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থী নির্যাতন প্রতিরোধে মাদরাসা প্রধানদের সাথে পুলিশের মতবিনিময় সভা মালয়েশিয়ায় ১২৩ বাংলাদেশীসহ ২১৪ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার বেনজিরের আরও সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ মডেল মির্জা মাহির প্রথম মিউজিক ভিডিও “কিশোরী রোদ” জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর সাংগঠনিক সম্পাদক আমান ডেঙ্গু জ্বর আক্রান্ত শিবালয়ে ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫ চৌদ্দগ্রামে ভূমি সেবা সপ্তাহ’র ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন কবে, জানালেন ওবায়দুল কাদের

বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :: আমন ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এবার ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জমিতে পানি সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজ উঠানো ও প্রস্তুতকৃত জমিতে চারা রোপণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে কৃষকরা।

চলতি মৌসুমের আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। প্রতি একরে প্রায় ৪০ মণ ও মূল্য প্রতিমণ এক হাজার থেকে এগারশ টাকা পেয়ে কৃষকদের বোরো আবাদে এবার আগ্রহ বেড়েছে। এদিকে সকালের শীত উপেক্ষা করে সন্ধ্যা অবধি জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ বা জমিতে হাল চাষ দিচ্ছেন। কেউ জমির আইলে কোদাল পাড়া কিংবা জৈব সার বিতরণ কাজে ব্যস্ত। কেউ সেচের জন্য ড্রেন নির্মাণ কিংবা পাম্পের বা শ্যালো মেশিনের জন্য ঘর তৈরি করছেন। আবার অনেকে তৈরি জমিতে পানি সেচ দিয়ে ভিজিয়ে রাখছেন। আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ করে কেউবা বীজতলা থেকে চারা তুলে তা রোপণ করছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় ৬৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর জেলায় ৬০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ১২ হাজার ৯৪ হেক্টর ও উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ৪৮ হাজার ২১৫ হেক্টর।

সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের চাষি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হয়েছে আমাদের। এবার আমন চাষে করে আমরা লাভবান হয়েছি। সেই আশায় পুরোদমে আবার বোরো আবাদ শুরু করে দিয়েছি। একই এলাকার কচুবাড়ি গ্রামের বিজয় রায় জানান, গত আমন মৌসুমে ব্রি-জাতের সোনার বাংলা, ব্রি -আঠাশ, ব্রি -৫১, জিরাশাইল ধানের ফলন ও বাজারমূল্য ভালো পাওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে আবাদ করতে তারা বেশি আগ্রহী।

অন্যান্য বছর কোল্ড ইনজুরিতে পচন লেগে বীজ চারা নষ্ট হয়ে যেতো। কিন্তু এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো চারাও বেশ ভালো হয়েছে।সদরের গড়েয়া এলাকার বাসিন্দা গোলাম মস্তোফা জানান, বোরো ধান লাগাতে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হয়। এছাড়া বোরো আবাদে খরচও বেশি হয়। বোরো ধান লাগানোর পর থেকে তিন-চার দিন পরপর সেচ দিতে হয়। আশা রাখি বোরো আবাদ হলে বেশি লাভবান হবো।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব উদ্দীন বলেন, জেলায় সবেমাত্র বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনের আবহাওয়ার গড় সর্বনিম্ন ১০ এবং সর্বোচ্চ ২৫ বিরাজ করছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে এবং গভীর নলকূপগুলো সচল হলে খুব শিগগিরই বোরো ধান রোপণ শেষ হবে। সেইসঙ্গে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: