শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

‘ডিজিটাল কানেক্টেভিটির মতো সাইবার সিকিউরিটি বৃদ্ধি জরুরি’

নিউজ ডেস্ক :: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন সাইবার সিকিউরিটির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিকলেনদেন, শিক্ষা প্রদান, প্রশাসনিকসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অনেকটাই এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। তবে যে গতিতে ‘ডিজিটাল কানেক্টিভিটি’ আমরা বৃদ্ধি করেছি, সেই গতিতে ‘সাইবার সিকিউরিটি’ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়নি। দেশের স্থিতিশীলতার জন্য এটি খুবই জরুরি।

আজ শনিবার সকালে যশোরের শেখ হাসিনাসফট্ওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সম্মেলন কক্ষে‘সাইবার সিকিউরিটি ফর নেটওয়ার্কিং প্রফেশনালস’শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনএসব কথা বলেন। দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক ট্রান্সইউরোশিয়া ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের ইউরোপীয়ানইউনিয়নের এশিয়া কানেক্ট প্রকল্পের সহায়তায় চারদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি আয়োজন করেছেযশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ডিজিটাল কানেক্টিভিটিতে আমরা যতটাঅগ্রসর, সাইবার সিকিউরিটিতে আমরা ততটাপশ্চাৎপদ। যদি আমরা সাইবার জগতকে নিরাপদ নারাখতে পারি, তাহলে এটি যেকোনো সময় আরেকটিমহামারী হিসেবে দেখে দেবে। তিনি বলেন, আমাদেরঅর্থনৈতিক কার্যক্রম, একাডেমিক কার্যক্রম, প্রশাসনিককার্যক্রম, বিভিন্ন নিরাপত্তাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থারকার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তুতাদের যদি সাইবার সিকিউরিটি না দিতে পারি, হয়তোএকদিন সকালে উঠে দেখা যাবে দেশের পুরো সিস্টেমভেঙ্গে পড়েছে। দেশ স্থবির হয়ে পড়েছে। সুতরাং দেশেরউন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা স্থিতিশীল রাখতে সাইবারসিকিউরিটি বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। সাইবারজগৎকে নিরাপদত রাখতে দেশের নেটওয়ার্কপেশাজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমিবিশ্বাস করি।

যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই)বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিবেরসভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেঅন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এম এ হাসেম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকড. এস এম তাওহিদুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরসিইডিটি প্রকল্পের আইসিটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বিভিন্ন ধরনের ‘ডিডস’, ‘ম্যালওয়ার’ এবং ‘ওয়েবঅ্যাপ্লিকেশন’ দিয়ে সাইবার আক্রমনের ধরন, কার্যপরিধি, ক্ষতিকারক দিকসমূহ প্রশিক্ষণ কর্মশালায়তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে এর থেকে পরিত্রাণ পেতেনেটওয়ার্ক পেশাজীবীদের দায়-দায়িত্ব ও করণীয়বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন সাইবার সিকিউরিটিতে দক্ষবিশেষজ্ঞগণ। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিডিরেনসহবাংলাদেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৩২ জননেটওয়ার্ক পেশাজীবী অংশ গ্রহণ করেছেন। যবিপ্রবিরকম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সার্বিকতত্ত্বাবধানে আয়োজিত কর্মশালাটি শেষ হবে আগামী ২৩ মার্চ।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি