সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পরিকল্পিত পরিবার ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে এসডিজি অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান মধুমতি নদীতে ভেসে উঠল অর্ধগলিত মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের জোর তৎপরতা মানিকগঞ্জ চাঞ্চল্যকর হিরন হত্যা মামলার রায় ২৮ জুলাই নড়াইলের লোহাগড়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত কালিগঞ্জ থানার পরিত্যক্ত ভবন ভাঙতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক আহত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে উজিরপুর বিএনপি’র আনন্দ মিছিল ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের ৯০ মিনিট ছাড়িয়ে অর্থনীতির যে মহাযজ্ঞ বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধের অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির বন্যার কারণে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত নাজিমগঞ্জ বাজারের প্রবীণ মাংস ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ আর নেই

বাংলাদেশে সংক্রমিত করোনার জিন রহস্য উন্মোচনের দাবি

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে সংক্রমিত নভেল করোনাভাইরাসের (সার্স সিওভি-২) জিনোম সিকোয়েন্স বা জিন রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে জিনোম সিকোয়েন্সের তথ্য-উপাত্ত গ্লোবাল জিনোম ডেটাবেইজে (জিআইএসএআইডি) জমা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারাই সর্বপ্রথম এ জিনোম সিকোয়েন্সের কাজ শেষ করেছে। এর ফলে ভাইরাসটির গতি প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবেন গবেষকরা।

জিনোম হলো প্রাণি বা উদ্ভিদের জিনগত বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা। কোনো প্রাণি বা উদ্ভিদের জিনোমে নিউক্লিওটাইডগুলো কীভাবে বিন্যস্ত আছে তা লিপিবদ্ধ করাকে বলে জিনোম সিকোয়েন্সিং। এ নকশার ওপরই নির্ভর করে ওই প্রাণি বা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য।

চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সাধারণত ভাইরাসের সিকোয়েন্সিং করা কিছুটা দুঃসাধ্য। সেখানে নভেল করোনাভাইরাসের মতো একটি সংক্রমণশীল ভাইরাসের সিকোয়েন্সিং করা খুবই কঠিন। চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন ভাইরাসটিকে নিষ্ক্রিয় করে মেটাজিনোমিক সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের কাজটি সম্পন্ন করেছে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই বাংলাদেশের আরো কিছু স্থানের নমুনা থেকে আরো কিছু ভাইরাসের সিকোয়েন্সিং করতে সক্ষম হব, যা আমাদের ভাইরাসটির উৎপত্তি, গতি প্রকৃতি বুঝতে ও প্রতিরোধের উপায় খুঁজতে সহায়তা করবে।’

এ কাজে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং চ্যান জুকারবার্গ বায়োহাব/ইনিশিয়েটিভ সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. সমীর কুমার সাহা বলেন, ‘জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলে ভাইরাসটির গতি, প্রকৃতি ও ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এর ফলে আমরা জানতে পারব, আমাদের এখানে ভাইরাসটি মোকাবেলায় কোন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।’

ড. সমীর কুমার সাহা আরো বলেন, ‘এখানে বড় বিষয় হল, বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশে বসে সিকোয়েন্সিংটা করেছে। তার মানে হল, বাংলাদেশে এ ভাইরাসের আরো সিকোয়েন্সিং করা যাবে। আমরা হয়ত আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে আরো অনেক সিকোয়েন্সিং করে আপনাদের বলতে পারব। আমরা যখন আরো সিকোয়েন্সিং করতে পারব তখন বুঝতে পারব, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন বা কোন ওষুধ কতটা কাজ করবে।’ বাংলাদেশে যে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে তার সঙ্গে রাশিয়া ও সৌদি আরবের ভাইরাসের মিল পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: