বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাজধানীর যেসব এলাকায় বসছে আরও ২০০ এআই ক্যামেরা লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৮৫২ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মুন্সীগঞ্জে গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় চৌদ্দগ্রামে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, ব্যাহত পাঠদান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: সমঝোতা ‘শেষ’ ঘোষণা ট্রাম্পের ৩০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলো যুবদল প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান ৬ ফ্রান্সের ম্যাচে সব রেফারি আর্জেন্টিনার, ফিফার ‘লজ্জা নেই’ বলছে ফরাসি মিডিয়া

সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগ একই সঙ্গে আদেশ দিয়েছেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর রাষ্ট্রীয় মূল নীতির বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ।

২০১১ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে রায় দেন। পরে ওই বছরের জুনে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে আওয়ামী লীগ সরকার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ ৫৪টি বিষয়ে সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে ছিল, ধর্মনিরপেক্ষতা, সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা বাড়ানো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃত দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর এই সংশোধনী বাতিল চেয়ে রিট করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। পরে পক্ষভুক্ত হন আরও ৪ জন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করেন রিটকারী।

গত রোববার থেকে টানা ৩ দিনের শুনানিতে রিটকারী পুরো সংশোধনী বাতিল চান। তবে জামায়াত-পক্ষের আইনজীবীরা মধ্যে সংবিধানের মৌলিক বিষয়ের সাথে সাংঘর্ষিকগুলো আদালতের মাধ্যমে বাতিল চান। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির সাথে জড়িতগুলো, সংসদের ওপর ছাড়ার আবেদন করেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: