সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন

নোয়াখালীর কবিরহাটে ফেসবুকে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এবং কবিরহাট উপজেলার নরোওমপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে নরোওমপুর ইউনিয়নে তার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলেন শাহাদাত হোসেন মাসুদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি, আর তখন থেকে মানুষকে ভালোবেসে তাদের পাশে দাঁড়াতাম। বর্তমানেও আমি আমার ইউনিয়নে সামাজিক কাজকর্মে অংশগ্রহণ করি এবং অসহায় মানুষকে সহযোগীতা করে আসছি।

মহামারী করোনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও আমার নেতা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি এবং কবির হাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলির নির্দেশনায় আমার নিজ অর্থায়নে নরোওমপুর ইউনিয়নে ১৫’শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা করেছি । করোনায় আক্রান্তদের খাবার দিয়ে তাদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিয়েছি।

এ ছাড়াও আমার এক আত্মীয় ও সম্রাটের মাধ্যমে আমার ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা একশভাগ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে আমি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতার জন্য কাগজপত্র সংগ্রহ করি। আমি নিজে কারো কাছ থেকে সরাসরি কোন কাগজপত্র সংগ্রহ করিনি। ইউনিয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে ইর্ষাস্বিত হয়ে একটি কুচক্রি মহল আমার বিরুদ্ধে ঘৃন্যতর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

তারা কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও অনলাইন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালায় । আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এসব অপ-প্রচারের বিরুদ্ধে কবিরহাট থানায় ৮ জুন একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। যার নাম্বার ২৯৩। ফেইসবুক আইডি এবং অনলাইনে যাদের নাম ব্যবহার করে অপ- প্রচার চালিয়েছে তাদের অনেকেই এখানে উপস্থিত রয়েছেন তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন আমি তাদের থেকে কোনো টাকা নিয়েছি কিনা ।
যাদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনের সময় বেশ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে আবুল খায়ের নামের এক প্রতিবন্ধি বলেন, আমার থেকে মাসুদ কিংবা তার লোক কোন টাকা নেয়নি এবং তারা আমাকে ফুসলিয়ে মাসুদের বিরুদ্ধে কথাগুলো বলতে বলায় আমি তাদের কথায় লোভে পড়ে এসব বলেছি।

আবু বক্কর নামের আরেক প্রতিবন্ধি তিনিও মাসুদকে টাকা দেয়ার বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, আমরা গরীব নিরহ মানুষ, সে আমাদেরকে বিনামুল্যে এসব কাজ কর দেয়। শেষে আলেয়া বেগম, বেবি ও বেলালের মা এবং হুক্কু নামের আরো ৪জন ব্যাক্তিও কাউকে টাকা দেয়নি বলে জানান এবং তাদের নাম ব্যাবহার করে অহেতুক মিথ্যাচার চালানো হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: