শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিপিএমসিএ’র নতুন কমিটি: মুবিন খান সভাপতি আনোয়ার খান এমপি সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালীতে জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন গ্যাসের মূল্যসীমা নির্ধারণে ব্যর্থ ইইউ বাজার মূলধন কমলো সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা, তলানিতে লেনদেন বিশ্বকাপসহ সব পরিসংখ্যানে মেক্সিকোর থেকে বেশ এগিয়ে আর্জেন্টিনা বিএনপির গণসমাবেশ দুপুরে, সকালেই পরিপূর্ণ কুমিল্লার টাউনহল মাঠ সাড়া না পেয়ে মির্জা ফখরুলরা পাগলের প্রলাপ বকছেন: কাদের সার্বিয়াকে হারিয়ে ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করলো ব্রাজিল বিলিভ ইন্টারন্যাশনাল এবং সিপিজির মধ্যে একটি জাতীয় ডিস্ট্রিবিউটরশিপ চুক্তি স্বাক্ষর দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রা

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার অবহেলায় শিশুর মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের কলেজ পাড়া মহল্লার অনিক (১২) নামে এক শিশু নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে হাবুডুবু খায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে অনিক বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে নামলে সে পানিতে হাবুডুবু খায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে অসুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক না দেখেই মৃত ঘোষনা করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

পরে শিশুটিকে বাড়ি নেওয়ার পথে তার শরীর গরম হয়ে মুখ দিয়ে পানি বের হলে শিশুটিকে স্থানীয় ডায়াবেটিকস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুনঃরায় সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা দ্বিতীয়বার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

সে পৌর শহরের কলেজ পাড়া মহল্লার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। মোহাম্মদ আলী ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অফিস সহকারী।

পরে স্বজনরা সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে হাসপাতাল ঘেরাও, ভাঙচুর ও বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: রাকিব এসে অনিকের স্বজন ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন। স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলা ও স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেনের হটকারী সিদ্ধান্তের কথা আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারকে জানালে তিনি সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা মৃত্যু সনদ নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রথমে অনিককে হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেন বলেন, আমার ১২ বছরের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাচ্চাটি মারা গেছে তার ইসিজি লাগবে না।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ইসিজির কোন যন্ত্র নেই। বাহিরে থেকে ভাড়া করে ইসিজি মেশিন নিয়ে আসা হলেও মেশিন পরিচালনাকারী পাওয়া যায়নি। অবহেলায় এভাবে আর কত অনিককে হারাবো আমরা?

এবিষয়ে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেন জানান, ওই সময় ডিউটিতে থাকা চিকিৎসক ডা: সাবিনা শিশুটিকে দেখে মৃত ঘোষনা করেন। তিনি কিছু বলেননি বলে জানান।

এব্যাপারে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাকিব কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই সময় ডা: লিসা ও ডা: সাবিনা ডিউটিতে ছিলেন। রোগীর স্বজননেরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে কোন ইসিজি মেশিন নেই স্বীকার করে তিনি জানান এ কারনেই বাহিরে থেকে হয়তো ইসিজি মেশিন আনা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি