বৃহস্পতিবার, ১৮ Jun ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মিল্কভিটা চেয়ারম্যান শাতিল ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের অভিযোগ সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপ’র পোস্টার ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় ১৬৪ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস প্রবাসীদের জরুরি নির্দেশনা দিলো কাতার, না মানলে শাস্তি শনিবার খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার: সংসদে এক ম্যাচে যত রেকর্ড গড়লেন মেসি কালিয়াকৈরে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, যানবাহন চলাচলে ধীরগতি গোপালগঞ্জে ওভারটেক করতে গিয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: প্রাণ হারালেন ১, আহত ৩০

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার অবহেলায় শিশুর মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের কলেজ পাড়া মহল্লার অনিক (১২) নামে এক শিশু নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে হাবুডুবু খায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে অনিক বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে নামলে সে পানিতে হাবুডুবু খায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে অসুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক না দেখেই মৃত ঘোষনা করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

পরে শিশুটিকে বাড়ি নেওয়ার পথে তার শরীর গরম হয়ে মুখ দিয়ে পানি বের হলে শিশুটিকে স্থানীয় ডায়াবেটিকস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুনঃরায় সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা দ্বিতীয়বার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

সে পৌর শহরের কলেজ পাড়া মহল্লার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। মোহাম্মদ আলী ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অফিস সহকারী।

পরে স্বজনরা সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে হাসপাতাল ঘেরাও, ভাঙচুর ও বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: রাকিব এসে অনিকের স্বজন ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন। স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলা ও স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেনের হটকারী সিদ্ধান্তের কথা আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারকে জানালে তিনি সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা মৃত্যু সনদ নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রথমে অনিককে হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেন বলেন, আমার ১২ বছরের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাচ্চাটি মারা গেছে তার ইসিজি লাগবে না।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ইসিজির কোন যন্ত্র নেই। বাহিরে থেকে ভাড়া করে ইসিজি মেশিন নিয়ে আসা হলেও মেশিন পরিচালনাকারী পাওয়া যায়নি। অবহেলায় এভাবে আর কত অনিককে হারাবো আমরা?

এবিষয়ে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী বাবুল হোসেন জানান, ওই সময় ডিউটিতে থাকা চিকিৎসক ডা: সাবিনা শিশুটিকে দেখে মৃত ঘোষনা করেন। তিনি কিছু বলেননি বলে জানান।

এব্যাপারে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাকিব কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই সময় ডা: লিসা ও ডা: সাবিনা ডিউটিতে ছিলেন। রোগীর স্বজননেরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে কোন ইসিজি মেশিন নেই স্বীকার করে তিনি জানান এ কারনেই বাহিরে থেকে হয়তো ইসিজি মেশিন আনা হয়েছিল।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: