শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের যুববিভাগের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত র‌্যাব-৭ অভিযানে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারীসহ গ্রেপ্তার-৪ উজিরপুর আলোচিত, সমালোচিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের বদলি ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা নড়াইল জেলা পরিষদের ৩৮ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা কাশিয়ানীতে মাদ্রাসার মোহতামিমের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা ও গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত মাছুমুর রহমান বাপ্পী এবার ২০২৬ FIFA World Cup- বিশ্বকাপের ভলেন্টিয়ার যে মানুষটির অপেক্ষায় আছেন তটিনী তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি ভ্রমণ নিষিদ্ধ

শীতে জ্বরঠোসা হলে সারাবেন কীভাবে?

শীত আসতেই কমবেশি সবাই ভুগছেন সর্দি-জ্বরে। এ সময় জ্বর হলে অনেকেরই জ্বরঠোসা দেখা দেয় ঠোঁটের কোণে। এক্ষেত্রে ঠোঁটের আশপাশে ছোট ছোট একগুচ্ছ ফুসকুঁড়ি দেখা দেয়। যা প্রচণ্ড ব্যথা ও চুলকানির সৃষ্টি করে। ফুসকুড়ির স্থান লাল হয়ে ফুলে যায়। জ্বরঠোসাকে চিকিৎসার পরিভাষায় ফিভার ব্লিস্টার বলা হয়। জ্বরঠোসা হওয়ার আরও কারণ আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিভার ব্লিস্টার হওয়ার কারণ হলো এইচএসভি ১ সংক্রমণ। এই সংক্রমণের ফলে জ্বর আসে। আবার জ্বরের কারণেও ফিভার ব্লিস্টার হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এছাড়া ভিটামিন সি ও ডি’র ঘাটতি হলেও জ্বরঠোসা হতে পারে।

জানলে অবাক হবেন, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই এইচএসভি ১ এ আক্রান্ত হন। যা সুপ্ত অবস্থায় থাকে। প্রথমবার হওয়া ফিভার ব্লিস্টার সেরে যাওয়ার পর এইচএসভি ১ স্নায়ুকোষে লুকিয়ে থাকে। পরবর্তীতে আবারও এটি প্রকাশ পায়।

জ্বরঠোসা সারাতে কী করবেন?

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলও বিভিন্ন প্রদাহ সারাতে কাজ করে। একটি তুলোর বলে চা গাছের তেল নিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার জ্বরঠোসায় ব্যবহার করুন। দেখবেন দ্রুত সেরে যাবে ঘা।

বরফ সেঁক

জ্বরঠোসার স্থানে বরফ ব্যবহার করলে ব্যথা কমে। এজন্য একটি কাপড়ে বরফ মুড়ে ক্ষত স্থানে ৫ মিনিট ধরে রাখুন। তবে ১৫ মিনিটের বেশি নয়। তবে ত্বকে সরাসরি বরফ লাগাবেন না, তাহলে ক্ষত আরও বাড়তে পারে। দৈনিক ৩ বার করে অন্তত ৫দিন ব্যবহার করুন আইসপ্যাক।

জিংক অক্সাইড ও গ্লাইসিনযুক্ত ক্রিম

২০০১ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, জিংক অক্সাইড ও গ্লাইসিনযুক্ত একটি ক্রিম প্লেসবো ক্রিমের তুলনায় ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসকে কোষে প্রবেশ করতে বাঁধা দিতে জিংক অক্সাইডের ভূমিকা আছে।

এজন্য অবম্যই জিংক সালফেট সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। সাময়িক চিকিত্সার জন্য, আপনি দিনে ৪ বার করে ঘা না শুকানো পর্যন্ত জিংক অক্সাইড ক্রিম প্রয়োগ করতে পারেন।

অরিগানো অয়েল

হারপিসসহ বিভিন্ন ভাইরাসকে বাধা দিতে প্রাকৃতিক অরিগানো অয়েল বিশেষ কার্যকরী। এক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থানে পাতলা করে তেল প্রয়োগ করুন। একটি তুলোর বলে অরিগানো তেল দিয়ে সারাদিন কয়েকবার আক্রান্ত স্থানে লাগান।

আপেল সিডার ভিনেগার

সামান্য আপেল সিডার ভিনেগারের সঙ্গে পানি মিশিয়ে তুলোর বল ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে কয়েক মিনিটের জন্য ধরে রাখুন।

সূত্র: হেলথলাইন


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: