শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের যুববিভাগের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত র‌্যাব-৭ অভিযানে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারীসহ গ্রেপ্তার-৪ উজিরপুর আলোচিত, সমালোচিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের বদলি ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা নড়াইল জেলা পরিষদের ৩৮ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা কাশিয়ানীতে মাদ্রাসার মোহতামিমের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা ও গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত মাছুমুর রহমান বাপ্পী এবার ২০২৬ FIFA World Cup- বিশ্বকাপের ভলেন্টিয়ার যে মানুষটির অপেক্ষায় আছেন তটিনী তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি ভ্রমণ নিষিদ্ধ

ডায়াবেটিস হতে পারে অন্ধত্বের কারণ

ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বিশ্বব্যাপী বাড়ছে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সমস্যাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরের বিভিন্ন গুরুতর সব অঙ্গে এর প্রভাব পড়ে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস দ্বারা পরিচালিত এক মার্কিন সমীক্ষা অনুসারে, ডায়াবেটিস চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে। যা ঝাপসা দৃষ্টি থেকে একসময় অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।

এ কারণে প্রথম থেকেই ডায়াবেটিস রোগীর চোখের যত্ন নিতে হবে। এতে অন্ধত্বের ঝুঁকি কমবে। ডায়াবেটিসের কারণে চোখে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হয়। সময়মতো ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি শনাক্ত ও চিকিৎসা করা না হলে ডায়াবেটিস রোগীর মারাত্মক বিপদ হতে পারে।

এজন্য অবশ্যই নিয়মিত চোখ স্ক্রিনিং করাতে হবে। কারণ ধীরে ধীরে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়লে চোখের লেন্স শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর মতোই প্রচুর পরিমাণে তরল টেনে নেয়। যা ফোকাস করার ক্ষমতাকে নষ্ট করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসের কারণে আমাদের রেটিনায় নতুন রক্তনালি তৈরি হতে পারে। যদি নতুন রক্তনালিগুলো চোখের বাইরে তরলের স্বাভাবিক প্রবাহে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে চোখের গোলায় চাপ তৈরি হতে পারে। ফলে গ্লুকোমার কারণে অপটিক নার্ভের ক্ষতি হয়। কারণ রক্তে অত্যধিক চিনির কারণে ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলো বাধাগ্রস্ত হয় ও রেটিনা তার রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।এছাড়া কিছু উপসর্গ যেমন- চোখের সামনে ভাসমান কালো দাগ দেখা বা অন্ধকারে কোনো রং চোখে ভেসে ওঠা ইত্যাদি লক্ষণ মোটেও সুবিধার নয়। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এ ধরনের পরিবর্তনগুলো যদি চিকিৎসা ছাড়াই চলতে থাকে তাহলে রোগীর স্থায়ী অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।১. নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরিমাপ করা ও নিয়ন্ত্রণে রাখা২. ধূমপান ত্যাগ করা ও৩. বছরে অন্তত একবার হলেও চোখ পরীক্ষা করা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: