বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৮৫২ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মুন্সীগঞ্জে গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় চৌদ্দগ্রামে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, ব্যাহত পাঠদান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: সমঝোতা ‘শেষ’ ঘোষণা ট্রাম্পের ৩০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলো যুবদল প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান ৬ ফ্রান্সের ম্যাচে সব রেফারি আর্জেন্টিনার, ফিফার ‘লজ্জা নেই’ বলছে ফরাসি মিডিয়া শেষ আটের আগে বিশ্বকাপ জয়ের গাণিতিক সম্ভাবনায় এগিয়ে যারা ‘মেসি দেখিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়’

হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) পলাশ চন্দ্র রায় এর বিরুদ্ধে ঠিকভাবে অফিস না করা ও জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

সেবাগ্রহীতারা জানান, বুধবার সকালে থেকে অফিসে এসে বসে আছি। কিন্তু তিনি আসেননি। এর আগে দেখেছি সচিব নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। সপ্তাহে মাত্র দুই-তিন দিন আসেন, বাকী দিনগুলো ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকেন। এ কারণে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রম ঠিক ভাবে না চললেও সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা নেই। ফলে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে নির্দিষ্ট সময়ে সেবা না পেয়ে ক্ষোভ নিয়ে ফিরে যান।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জন্মনিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে সচিব অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন ফ্রি ৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা, ৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ৫০ টাকা, সংশোধনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা কিন্তু সচিব পলাশ চন্দ্র রায় প্রতিটি জন্মনিবন্ধনের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চেয়ারম্যান প্রত্যয়নপত্র ও ট্রেড লাইসেন্সের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সেবাগ্রহীতা বলেন, আমি এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি, কিন্তু সচিবের দেখা পাইনি। এর আগেও একবার এসে একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি নিয়ম-কানুন মানেন না।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের একজন ভুক্তভোগী জানান, সচিব ফেনসিডিল খেয়ে মাতালের মত আচরণ করে আমাদের সাথে এবং মাঝে মধ্যে অফিসে আসেন, আর যেদিন আসেন সেদিনও দেরি করে প্রবেশ করেন।

গ্রাম পুলিশ সচিবের ব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে নারাজ ।

অভিযোগ বিষয়ে সচিব কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার কাছে যদি তথ্য থাকে, নিউজ করতে পারেন এ ব্যাপারে আমার কোন মন্তব্য নেই।

এ বিষয়ে

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:শাফিউল মাজলবিন রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপনার কাছ থেকে শুনলাম। দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: