মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
উজিরপুরে মৎস্য অভিযানে ৩০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক নড়াইলে চলন্ত নসিমন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর মাষ্টার্স পর্যন্ত উপবৃত্তিসহ মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার : এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া সাতক্ষীরায় শহীদ জায়েদার ২৮তম শাহাদাত বার্ষিকীতে ভূমিহীন সমাবেশ অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে আগুনে পুড়ল রামগঞ্জ ইউএনওর বসতঘর কোটালীপাড়ায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সজীব গ্রেপ্তার, যৌথ বাহিনীর বিশাল সাফল্য চাকরি ছেড়ে ড্রাগন চাষে সাবলম্বী ঝিনাইদহের আবু সাঈদ বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক নিঃসঙ্গতার প্রতি- মুহাম্মদ আশরাফুল আলম সোহেল

কিশোর পত্রিকা ‘নবারুণ’-এর লেখকদের সঙ্গে মতবিনিময়

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, যেসব শিশু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হয়েছে, তাদের লেখা ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে ‘নবারুণ’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করতে হবে। এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করতে উপদেষ্টা চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার (১৭ই সেপ্টেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর প্রকাশিত কিশোর মাসিক পত্রিক ‘নবারুণ’-এর লেখকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

‘নবারুণ’ পত্রিকা নিয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এই পত্রিকায় শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবি ও লেখা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করতে হবে। ‘নবারুণ’ পত্রিকায় শিশু-কিশোরদের লেখা ও ছবি বেশি পরিমাণে প্রকাশিত হলে তারা অনুপ্রাণিত হবে। এতে তাদের সৃজনশীলতা বিকশিত হবে।

মাহফুজ আলম বলেন, “যে সরকারই দায়িত্বে আসুক না কেন, শিশু-কিশোরদের ব্যাপারে নিরপেক্ষ থাকা উচিত।” তিনি ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-সহ আর্থসামাজিক বিভিন্ন বিষয়ের ওপর লেখালিখি করার জন্য লেখকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

‘নবারুণ’ পত্রিকা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্রকাশনার শুরু থেকে (১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ) এ পর্যন্ত ‘নবারুণ’ পত্রিকার সকল সংখ্যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করতে হবে এবং তা জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। এতে পাঠক অনলাইনে পুরাতন সংখ্যা পড়ে সমৃদ্ধ হতে পারবেন।

‘নবারুণ’ পত্রিকার কলেবর বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘নবারুণ’ পত্রিকায় নতুন লেখকদের জন্য আলাদা বিভাগ চালু করা উচিত। পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় কমপক্ষে পাঁচ জন নতুন লেখকের লেখা প্রকাশের জন্য তিনি কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন। তিনি শিশু-সাহিত্যিকদের নিয়ে দিনব্যাপী একটি কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, যেসব লেখক ৪০-৫০ বছর ধরে লিখছেন, তাঁদের লেখা ‘নবারুণ’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করতে হবে। এতে পত্রিকা আরও সমৃদ্ধ হবে। তিনি ‘নবারুণ’ পত্রিকার লেখক-সম্মানি বাড়াতে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন।


আরও পড়ুন—


 

সভায় ‘নবারুণ’ পত্রিকার লেখকরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। তাঁরা ‘নবারুণ’-কে একটি অসাধারণ ও সাহসী পত্রিকা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁরা পত্রিকাটির মানোন্নয়নে বেশ কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম। সভার শুরুতে ‘নবারুণ’ পত্রিকা বিষয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপনা করেন পত্রিকার সম্পাদক ইসরাত জাহান। মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালন করেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সিনিয়র সম্পাদক শাহিদা সুলতানা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: