শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ইতিহাস পাঠের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ১৫ আগস্ট ঘিরে টুঙ্গিপাড়ায় নিরাপত্তার চাদর, প্রতিটি মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি বড়াইগ্রামে অবৈধ ‘ঢাকা কিং বেকারি’তে যৌথ অভিযান: ম্যানেজার আটক, ২০ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাতেও খোলা কুলাউড়ার শপিংমল-দোকানপাট কুমিল্লায় গ্যাসের জন্য মহাসড়কে পণ্যবোঝাই গাড়ির দীর্ঘ লাইন, বন্ধ আঞ্চলিক গণপরিবহন আগামীকাল জেবিএবি নির্বাচন: সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে চার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা কম‌লো স্বর্ণালংকারের দাম ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় : হাইকোর্ট বোলার দেখে খেলিনি, বলের মেরিট বুঝে খেলেছি : তানজিদ আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন তারেক রহমান: এনডিটিভি

দেশে এসেছে ১৫ লাখ হাম ও ৯ লাখ ডোজ টিডি টিকা

নিউজ ডেস্ক : দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে টিকা সংগ্রহ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইউনিসেফ ও গাভির মাধ্যমে হামের ১৫ লাখ এবং টিটেনাস-ডিপথেরিয়ার (টিডি) ৯ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন।

বুধবার (৫ মে ২০২৬) বেলা ১২টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়।

চালান গ্রহণ শেষে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ১৫ লাখ ডোজ হামের টিকা দেশে পৌঁছেছে। আগামী দিনে আর কোনো টিকার সংকট তৈরি হবে না। ২৪ দিনের মধ্যে এই টিকা দেশে এনে ইতিহাস গড়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ইপিআই কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার এটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছায়। আজ ৬ মে আরো ১৫ লাখ ডোজ এমআর ভ্যাকসিন এসেছে।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী ১০ মে’র মধ্যে আরো প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ডোজ বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো সরবরাহ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ চালু রয়েছে। ৫ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে টাইফয়েডের (টিসিভি) ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)-এর ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস অন্য কোনো ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না। কোল্ড চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ইউনিসেফ কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।

এ সময়ে মন্ত্রী এডিবিসহ সব উন্নয়ন সহযোগীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং টিকাদান কর্মসূচি আরো শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার প্রমুখ বিমনাবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: