বৃহস্পতিবার, ১৮ Jun ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মিল্কভিটা চেয়ারম্যান শাতিল ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের অভিযোগ সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপ’র পোস্টার ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় ১৬৪ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস প্রবাসীদের জরুরি নির্দেশনা দিলো কাতার, না মানলে শাস্তি শনিবার খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার: সংসদে এক ম্যাচে যত রেকর্ড গড়লেন মেসি কালিয়াকৈরে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, যানবাহন চলাচলে ধীরগতি গোপালগঞ্জে ওভারটেক করতে গিয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: প্রাণ হারালেন ১, আহত ৩০

নয়াদিল্লির রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন নিহত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি রেস্তোরাঁয় বড় অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২১ জন এবং আহত হয়েছেন এক ডজনেরও বেশি মানুষ।

আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ২০ মিনিট) নয়াদিল্লির মালব্যনগর এলাকার আবাসিক হোটেল মিকাসা ইনন-এর রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। ৬ তলা এই হোটেলের বেসমেন্টে ছিল রেস্তোরাঁটির অবস্থন।
আগুন লাগার পর তা রেস্তোরাঁ থেকে হোটেল ভবনের অন্যান্য তলাতেও ছড়িয়ে পড়ে। হোটেলের অতিথিদের অনেকেই সে সময় ঘুমাচ্ছিলেন। আগুনের আঁচ থেকে বাঁচতে হোটেলের অতিথি জানালা থেকে লাফ দিয়ে সড়কের ওপর পড়ে আহত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অগ্নিকাণ্ড এবং অতিথিদের লাফিয়ে পড়ার বিভিন্ন ছবি-ভিডিও।

আকার আয়তনে মিকাসা ইন ছোট একটি হোটেল। মালব্যনগরের সরু-ঘিঞ্জি গলি হওজ রানি-তে অবস্থিত হোটেলটিতে সর্বসাকুল্যে কক্ষ আছে ২৫টি। সর্বোচ্চ ৫০ জন অতিথি থাকতে পারেন মিকাসা ইন হোটেলে।

হোটেলটিতে বাংলাদেশ, নেপাল ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা লোকজন ছিলেন। চিকিৎসা এবং অন্যান্য কাজে দিল্লি এসেছিলেন তারা।

যে ২১ জন নিহত হয়েছেন তাদের কয়েকজন আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন, বাকিদের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ার কারণে দমবন্ধ হয়ে।

হোটেলের রেস্তোরাঁর বাবুর্চি কেশর সিং জানিয়েছেন, আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে তিনি যখন রেস্তোরাঁর বৈদ্যুতিক স্টোভ চালু করার জন্য সুইচ চাপেন, তখনই অকস্মাৎ আগুনের শিখা জ্বলে ওঠে এবং অকল্পনীয় দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে।

“তাৎক্ষণিকভাবে আমার মনে হলো, আগুন পুরো হোটেলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার সহকারী এবং হোটেলের লোকজনকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলাম। যখন আমি (হোটেল থেকে) বের হই, সে সময় পুরো হোটেলে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে”, এনডিটিভিকে বলেছেন কেশর সিং।

নয়াদিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিটের নিরলস প্রচেষ্টায় ২ ঘণ্টারও বেশি সময়ে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার জন্য মাথাপিছু ৫০ হাজার রুপি বরাদ্দ করেছেন তিনি।
সূত্র : এনডিটিভি


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: