শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ঈদে ১৪ টি মিউজিক ভিডিও মুক্তি পেয়েছে প্রিন্স খানের চাটখিলে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তপ্তদেহ শীতল করতো গাছের নিচে বসেই, গাছ না থাকায় এত গরম সরকার হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে বদ্ধপরিকর-ধর্মমন্ত্রী দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজের সাথে যারাই জড়িত, তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী – আনু মুহাম্মদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে- সুবর্ণচর উপজেলা আ.লীগ হাতিয়ার উন্নয়নে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচিকে কাজে লাগানো হবে – মোহাম্মদ আলী এমপি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৩৯ বছর পর জমি ফিরে পেলেন যদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার শিবালয়ে ১৫তম  মাই টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে- ধর্মমন্ত্রী

জামিন পাননি ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যান

ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

তাদের বিরুদ্ধে থাকা অর্থ আত্মসাতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশও দেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার  সকালে এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের জামিনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।

প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদক কলাবাগান থানায় দুটি মামলা দায়ের করে। ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুটি শর্তে রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনের জামিন মঞ্জুর করে।

ওই শর্তে বলা হয়েছিল, তাদের সৃজনকৃত বাগান থেকে ৩৫ লাখ গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছয় সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র হলফনামা আকারে দাখিলের পর তারা জামিন পাবেন। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় শর্ত হিসাবে সরকারি কোষাগারে দিতে হবে নগদ ২ হাজার ৫ শত কোটি টাকা। কিন্তু তিন বছরেও ওই আদেশের বাস্তবায়ন হয়নি, তাদের মুক্তিও মেলেনি।

রবিবার জামিন শুনানিতে ডেসটিনির আইনজীবীর কাছে আদালত জানতে চান, গাছ কোথায় গেলো? জবাবে ব্যারিস্টার আজমালুল বলেন, গাছ তো ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! পরে তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অধিকাংশ গাছ কেটে নিয়েছে। যার কারণে অর্থ পরিশোধ সম্ভব হয়নি।

ওই শর্ত সংশোধন চেয়ে তারা ২০১৭ সালে আপিল বিভাগে আবেদন করেন। সেই আবেদন ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়। তবে শর্ত না মেনে পুনরায় তারা জামিন আবেদন করায় তা খারিজ করলেন আপিল বিভাগ।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: