মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঢাবিতে সুফি সংস্কৃতি নিয়ে দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের মা ফরিদা বেগম আর নেই ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়াবেটিসের ওষুধ সংকট, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের রোগী রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন সম্পন্ন উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম নৃত্য ও সংস্কৃতি : রুহুল কবির রিজভী যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর নতুন ভারপ্রাপ্ত সচিব নিয়োগ দিলেন ট্রাম্প মেসির পর অবসরের ঘোষণা দিলেন বিশ্বকাপজয়ী আরেক তারকা ভক্তদের সুখবর দিলেন মল্লিক বাড়ির বাবা-মেয়ে যে ৫ খাবার ফ্রিজে রেখে বাসি করে খেলে রোগীদের সুগার বৃদ্ধির ঝুঁকি কমবে!

জামিন পাননি ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যান

ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

তাদের বিরুদ্ধে থাকা অর্থ আত্মসাতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশও দেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার  সকালে এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের জামিনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।

প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদক কলাবাগান থানায় দুটি মামলা দায়ের করে। ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুটি শর্তে রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনের জামিন মঞ্জুর করে।

ওই শর্তে বলা হয়েছিল, তাদের সৃজনকৃত বাগান থেকে ৩৫ লাখ গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছয় সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র হলফনামা আকারে দাখিলের পর তারা জামিন পাবেন। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় শর্ত হিসাবে সরকারি কোষাগারে দিতে হবে নগদ ২ হাজার ৫ শত কোটি টাকা। কিন্তু তিন বছরেও ওই আদেশের বাস্তবায়ন হয়নি, তাদের মুক্তিও মেলেনি।

রবিবার জামিন শুনানিতে ডেসটিনির আইনজীবীর কাছে আদালত জানতে চান, গাছ কোথায় গেলো? জবাবে ব্যারিস্টার আজমালুল বলেন, গাছ তো ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! পরে তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অধিকাংশ গাছ কেটে নিয়েছে। যার কারণে অর্থ পরিশোধ সম্ভব হয়নি।

ওই শর্ত সংশোধন চেয়ে তারা ২০১৭ সালে আপিল বিভাগে আবেদন করেন। সেই আবেদন ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়। তবে শর্ত না মেনে পুনরায় তারা জামিন আবেদন করায় তা খারিজ করলেন আপিল বিভাগ।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: